উপেন্দ্রকিশোরের ‘ছেলেদের রামায়ণ’ শিশু সাহিত্য ও মুদ্রণশিল্পে এক বিপ্লবের গল্প |Upendra Kishore's 'The Boys' Ramayana' is a story of a revolution in children's literature and printing. যোগীন্দ্রনাথ সরকারের সিটি বুক সোসাইটি থেকে উপেন্দ্রকিশোরের প্রথম বই “ছেলেদের রামায়ণ” প্রকাশ না পেলে হয়তো মুদ্রণশিল্পী উপেন্দ্রকিশোরকে আমরা পেতাম কিনা সন্দেহ। অবশ্য ব্যাপারটা যেমন ভাবা যাচ্ছে তেমন নয়। বরং খানিক উল্টোই। তখন এ দেশে ছবি ছাপা হত কাঠের ওপর খোদাই করা ব্লক দিয়ে। উপেন্দ্রকিশোর এই ব্যবস্থা মেনে নিতে পারেননি। তাঁর ‘ছেলেদের রামায়ণ’ বইটিতে ছিল তাঁরই আঁকা চমৎকার সব ছবি। কিন্তু বই বেরোনোর পর দেখা গেল কাঠের ব্লকে ছাপানোর ফলে সেগুলো সম্পূর্ণ বিকৃত হয়ে গেছে। তবে এই বিভ্রাটের অনেক আগেই তিনি এ বিষয়ে গবেষণা শুরু করেছিলেন। ছাত্রাবস্থায় জানতে পেরেছিলেন, তামা ও দস্তার পাতে খোদাই করে ছাপলে সুন্দর ও সূক্ষ্ম ছবি পাওয়া যায়। সেই থেকে গবেষণার নিয়ম মেনে পৌঁছে গেলেন হাফটোন প্রসেসের জগতে। সে আলোচনায় না গিয়ে বরং বইটিকে আর একটু কাছে থেকে দেখা যাক। বইয়ের প্রথম সংস্করণের ভুমিকাত...
Nothing থেকে Everything: মহাবিশ্ব কেন গাণিতিকভাবে শূন্য | From Nothing to Everything: Why the Universe is Mathematically Zero! Make title আপনি, আমি এবং পুরো মহাবিশ্ব—গাণিতিকভাবে আমাদের সবার অস্তিত্বের যোগফল শূন্য! ( You, I, and the entire universe—mathematically, the sum of our existence is zero !) চোখের সামনে আমরা কোটি কোটি নক্ষত্র, গ্যালাক্সি আর বিপুল পদার্থের সমাহার দেখলেও, মহাজাগতিক হিসাবের খাতায় মহাবিশ্বের মোট শক্তির পরিমাণ আসলে শূন্য। আমরা সবাই একটি বিশাল গাণিতিক ভারসাম্যের অংশ মাত্র, যেখানে অস্তিত্বের সবটুকু আয়োজন যোগ করলে ফলাফল আসে পরম শূন্য। লজিকটি কী? পদার্থবিজ্ঞানের "Zero-Energy Universe" হাইপোথিসিস অনুযায়ী, মহাবিশ্বে প্রধানত দুই ধরনের শক্তি কাজ করে। একটি হলো ধনাত্মক (Positive) শক্তি, যা আমরা চারপাশের দৃশ্যমান ভর এবং বস্তুর গতিশক্তি হিসেবে দেখি। অন্যটি হলো ঋণাত্মক (Negative) শক্তি, যা মূলত মহাকর্ষ বল বা গ্র্যাভিটি। মহাকর্ষ প্রকৃতিগতভাবে আকর্ষণধর্মী এবং এটি স্পেস-টাইমকে সংকুচিত করে বলে পদার্থবিজ্ঞানে একে ঋণাত্মক শক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। মহাবিশ্বের এই রহস্যময় ...