Posts

Showing posts with the label Bangla ebook

Happy new year 2026 countdown Why New Years don't start at the same time

Image
পৃথিবীতে নববর্ষ কেন একসঙ্গে শুরু হয় না সময় অঞ্চল ও আন্তর্জাতিক তারিখরেখার গল্প Happy new year 2026 countdown   Why New Years don't start at the same time around the world The story of time zones and the International Date Line Happy new year image নববর্ষ মানেই নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন আর পুরোনো হিসাব–নিকাশ ঝেড়ে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার এক প্রতীকী মুহূর্ত। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে পৃথিবীর সব মানুষ একসঙ্গে নববর্ষ উদযাপন করে না। একই দিনে হলেও বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন অঞ্চলে নববর্ষ শুরু হয় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে। এর মূল কারণ পৃথিবীর সময় অঞ্চল ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক তারিখরেখা (International Date Line)। এই প্রবন্ধে আমরা সহজ ভাষায় বুঝে নেব, কেন পৃথিবীতে নববর্ষ ধাপে ধাপে শুরু হয়, কোথায় প্রথম নববর্ষ আসে, আর কোথায় সর্বশেষ নববর্ষ উদযাপিত হয়। পৃথিবীর সময় অঞ্চল কীভাবে তৈরি হয়েছে পৃথিবী নিজের অক্ষে ঘুরতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা সময় নেয়। এই ঘূর্ণনের ফলেই দিন ও রাত হয়। যদি পৃথিবীর সব জায়গায় একই সময় ধরা হতো, তাহলে কোথাও হয়তো দুপুরে সূর্য উঠত, আবার কোথাও গভীর রাতে মানুষ কাজ করত। এই সমস্যা সমাধান...

The strange gun with a curved barrel Krummlauf a bizarre chapter in battlefield innovation

Image
  বাঁকানো ব্যারেলের অদ্ভুত বন্দুক – Krummlauf যুদ্ধক্ষেত্রে উদ্ভাবনের এক বিচিত্র অধ্যায় |  The strange gun with a curved barrel Krummlauf a bizarre chapter in battlefield innovation দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ মানব ইতিহাসে সবচেয়ে নিষ্ঠুর ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষগুলোর একটি। এই যুদ্ধে অস্ত্র-শস্ত্রের ক্ষেত্রে নানা ধরনের পরীক্ষামূলক ও অদ্ভুত উদ্ভাবন দেখা গিয়েছিল। সেই সব উদ্ভাবনের মধ্যে অন্যতম একটি ছিল জার্মানদের তৈরি Krummlauf —একটি বাঁকানো ব্যারেলযুক্ত বন্দুক, যাকে সহজ ভাষায় বলা হয় “Bent Barrel Rifle।” যদিও এটি একটি স্বতন্ত্র রাইফেল ছিল না; বরং বিখ্যাত StG-44 অ্যাসল্ট রাইফেলের জন্য তৈরি বিশেষ ব্যারেল অ্যাটাচমেন্ট , যেটি ব্যারেলকে ৩০°, ৪৫°, এমনকি ৯০° পর্যন্ত বাঁকানো অবস্থায় গুলি ছোড়ার সুযোগ দিত। প্রথম দর্শনেই এই অস্ত্র মনে করিয়ে দেয়—যুদ্ধক্ষেত্রে টিকে থাকার জন্য মানুষ কত রকম পথ খুঁজে নিতে পারে! যুদ্ধক্ষেত্রের সমস্যা থেকেই ধারণার জন্ম ১৯৪৩ সালের দিকে এই ধারণার জন্ম হয় মাউসার কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ারদের মাথায় । যুদ্ধ ক্রমশ শহরমুখী হতে শুরু করেছে—রাস্তার মোড়, বিল্ডিংয়ের কোণা, ধ্বং...

Karma is the power of the past and the lessons of the present

Image
কর্মফল অতীতের শক্তি ও বর্তমানের শিক্ষা | Karma is the power of the past and the lessons of the present মানবিকতার চোখে কুরুক্ষেত্র ও ঈশ্বরদীর কুকুর শাবক ঘটনা কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ শেষ। সর্বনাশা রণক্ষেত্রে নীরবতা নেমে এসেছে। ঘরে ঘরে হলো শোক, মায়েরা হারাল সন্তান, স্ত্রীরা হারাল স্বামী, আর একটি জনপদ পেল ধ্বংসের চিহ্ন। সেই সময়ে শোকহতব্যস্ত রাজমাতা গান্ধারী শ্রীকৃষ্ণের সামনে এসে দাঁড়ালেন। তাঁর চোখে অন্ধকার, কিন্তু মনের ব্যথা আরও গভীর। তাঁর প্রশ্নটি আজও যুগে যুগে মানুষের মনে একইভাবে ধাক্কা দেয়। গান্ধারীর প্রশ্ন ছিল সোজা এবং তীব্র— “আমি তো এই জন্মে কোনো পাপ করিনি। তাহলে আমাকে এই নরক যন্ত্রণা কেন ভোগ করতে হলো?” শ্রীকৃষ্ণের উত্তরের মধ্যে ছিল ধ্রুব সত্য। “হে দেবী, এই জন্মে না করলেও বহু জন্ম আগের কর্মই এই জীবনে ফল দেয়। শত প্রজাপতির চোখে কাঁটা ঢুকিয়ে যে নিষ্ঠুর খেলা আপনি কৈশোরে করেছিলেন, আজ সেই পাপের ফলেই আপনি অন্ধ স্বামী পেয়েছেন এবং সন্তান হারানোর বেদনা বরণ করেছেন। সেই শত প্রজাপতিই আজ আপনার সন্তান হয়ে জন্মেছে, এবং যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ হারিয়ে তারা আপনাকে সেই যন্ত্রণা ফিরিয়ে দিয়েছে।” এই কথায় গান্ধারী...

Kolkata History and Culture Full Guide

Image
  কলকাতা ইতিহাস, সংস্কৃতি, পরিবহন ও দুর্গাপূজোর শহর | Kolkata History and Culture Full Guide কলকাতা নদীর ধারে জন্ম, স্মৃতির ভিতরে বেঁচে থাকা এক শহর কলকাতা—একটি শহর যে জন্মেছে নদীর ছন্দে, ইতিহাসের ব্যথায় এবং মানুষের অটুট ভালোবাসায়। সময়ের পরতে পরতে বদলেছে এই শহর, তবু তার আত্মা আজও একই—চঞ্চল, সজীব আর গল্প ভরা। কলকাতার জন্ম, কলোনিয়াল ক্যালকাটা, ট্রাম–বাস–মেট্রোর পরিবহন ইতিহাস, হাওড়া ব্রিজ, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ও দুর্গাপূজোর সূচনা—সব মিলিয়ে কলকাতার সম্পূর্ণ গল্প। জানুন এই শহরের সংস্কৃতি, স্মৃতিস্তম্ভ ও আকর্ষণের কথা। ১) শহরের জন্ম: হুগলির ধারে এক নীরব সূচনা হুগলি নদীর তীরে একদিন নিঃশব্দে জন্ম নিয়েছিল শহরটি নদীর কাদা, বাণিজ্যের নৌকা, আর আষাঢ় দিনের গন্ধে ভরা প্রথম শহরচিত্র মুঘলদের দুর্বলতার সুযোগে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাড়-বাড়ন্ত ১৭১৭ সালে মুঘল সম্রাটের বিশেষ অধিকার ঘোষণার পর ক্যালকাটার দ্রুত উত্থান সুতানুটি, গোবিন্দপুর ও কালিকাতা—এই তিনটি গ্রাম থেকে পরবর্তী কলকাতা ২) ঊনবিংশ শতকের ক্যালকাটা: বাণিজ্য, জাহাজ, কলেজ স্ট্রিট ১৮০০ সাল: মাটির সরু গলি, বাজারের কলকাকলি, নৌবন্দর কলেজ স্ট্রিটে গড়ে ও...

What is a successful life Philosophy of life in the story of the kite

Image
  সফল জীবন কাকে বলে ঘুড়ির গল্পে জীবনদর্শন |  What is a successful life Philosophy of life in the story of the kite বন্ধনই সফলতার ভিত্তি গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর ছেলেরা সাধারণত ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা স্বপ্ন আঁকে। বড় চাকরি, নিজস্ব গাড়ি, স্বাধীন জীবন কিংবা নিজের মতো করে বাঁচার জেদ—এসবই তাদের মনে দোলা দেয়। জীবনের এই সন্ধিক্ষণে তারা জানতে চায়, সফলতা আসলে কাকে বলে। ঠিক তেমনই একদিন কলেজ শেষ করে এক তরুণ তার বাবাকে প্রশ্ন করল, সফল জীবন কাকে বলে। প্রথমে বাবা হাসলেন। তারপর এমন একটি উদাহরণ দিলেন, যা তার ছেলের জীবনের জন্য হয়ে উঠল পথপ্রদর্শক। সেই দুপুরে বাবা ছেলে দুজন মাঠে গেলেন। সেখানে কিছু শিশুরা ঘুড়ি ওড়াচ্ছিল। বাবা এক শিশুর কাছ থেকে একটি ঘুড়ি চাইলেন। ছেলে ভাবল, বাবা নিশ্চয়ই তাকে আনন্দ দেওয়ার জন্য এমন করছেন। কিন্তু বাবা জানতেন, এই ঘুড়ির মাঝেই আছে তার ছেলের প্রশ্নের উত্তর। ঘুড়িটি আকাশে উঠে গেল। বাতাসের টানে আরও আরও ওপরে উঠতে লাগল। ছেলে উৎসুক হয়ে দেখছিল। কিছুক্ষণ পর বাবা বললেন, দেখো তো, ঘুড়িটা এত উঁচুতে ভেসে আছে। তোমার কি মনে হয় না, এই সুতার কারণেই ঘুড়ি আরও উপরে যেতে পারছে না? ছ...

The Alexandria Feeding Bottle is a death trap of a mistaken discovery

Image
‘ আলেকজান্দ্রিয়া ফিডিং বোতল’ এক ভুল আবিষ্কারের মরণফাঁদ  |  The Alexandria Feeding Bottle is a death trap of a mistaken discovery শিশুর জন্য মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ। সেই ভালোবাসাকেই সহজ করার নামে ইতিহাসে অনেক সময় কিছু আবিষ্কার এসেছে, যেগুলোর শেষ পরিণতি দাঁড়িয়েছে ভয়ংকর বিপদের নামান্তর হয়ে। এমনই এক উদাহরণ হলো ফিডিং বোতল, বিশেষ করে উনবিংশ শতকের ইংল্যান্ডে ব্যবহৃত তথাকথিত “আলেকজান্দ্রিয়া ফিডিং বোতল”, যাকে আরেক নামে ডাকা হতো “খুনি বোতল” বলে। কেন এমন নাম? সেই গল্প বুঝতে গেলে যেতে হবে রানী ভিক্টোরিয়ার শাসনামলের ইংল্যান্ডে। সে সময় সমাজে দ্রুত পরিবর্তন আসছিল। শিল্পবিপ্লবের পর হাজার হাজার নারী কারখানায় কর্মরত ছিলেন। মাতৃত্বের পাশাপাশি গৃহকর্ম বা পেশাগত দায়িত্ব সামলানো ছিল অত্যন্ত কঠিন। তাই প্রয়োজন ছিল এমন কোনো উপায়ের, যাতে শিশু নিজেরাই দুধ পান করতে পারে এবং মা কিছুটা সময় নিজের কাজে ব্যয় করতে পারেন। এই চাহিদাকে কেন্দ্র করে তৈরি হলো নানা রকম ফিডিং বোতল, যার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে বোতলগুলোকে বলা হতো “বাঞ্জো বোতল”। অদ্ভুত বঙ্কিম আকৃতির কারণে এই নাম। বোতলের একপাশ ফুলানো,...

Hemendra Mohan Bose is a forgotten hero of the Renaissance

Image
হেমেন্দ্র মোহন বসু এক বিস্মৃত নবজাগরণের নায়ক |  Hemendra Mohan Bose is a forgotten hero of the Renaissance Hemendra mohan বাংলার ঘরে ঘরে কলের গান, প্রথম রেকর্ড, প্রথম রঙিন ছবি—যার হাত ধরে নবজাগরণের নতুন অধ্যায় বাংলার নবজাগরণ মানেই আমরা সাধারণত বাংলা সাহিত্য, শিল্প, বিজ্ঞান ও স্বাধীনতা চেতনার উত্থানকে বুঝি। বঙ্কিমচন্দ্র, বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ, জগদীশচন্দ্র, রমণী চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ অগ্রজেরা এই নবজাগরণে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছেন। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু নায়ক আছেন, যাদের অবদানের আলোর ছটা আজও মানুষের অজানা। তাদের স্মৃতি হয়তো ঘোলাটে হয়ে যায় সময়ের ধুলোর আড়ালে। তেমনি এক বিস্মৃত নায়কের নাম— হেমেন্দ্র মোহন বসু বা এইচ বোস । ডাক্তারি পড়তে গিয়েও তিনি যে শিল্পবিপ্লবের অগ্রযোদ্ধা হয়ে উঠবেন—কেউ ভাবেনি। তাঁর সৃজনশীলতা, উদ্যোগী মন এবং নতুন প্রযুক্তির প্রতি সীমাহীন আগ্রহ তাঁকে ইতিহাসের এক অনন্য উচ্চতায় বসিয়েছে। বাংলার প্রথম রেকর্ড কোম্পানি প্রতিষ্ঠা, প্রথম রঙিন আলোকচিত্র নির্মাণ, বিজ্ঞাপনী বিপ্লব, সাহিত্য ক্ষেত্রে পুরস্কার প্রবর্তন—সবখানে তাঁর উজ্জ্বল পদচিহ্ন। রেকর্ড ব্যবসায় বাংলার প্র...

Even after being martyred baba Harbhajan Singh still serves on duty at the Indian border

Image
  শহীদ হওয়ার পরও বাবা হরভজন সিং এখনো ভারতের সীমান্তে ডিউটি দেন ||  Even after being martyred, father Harbhajan Singh still serves on duty at the Indian border Harbhajan Singh ভারতের সীমান্ত রক্ষাকারী সৈনিকদের মধ্যে একজনের নাম আজও কিংবদন্তির মতো উচ্চারিত হয়— বাবা হরভজন সিং । তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন সাহসী জওয়ান, যিনি মৃত্যুর পরও তাঁর কর্তব্য থেকে বিচ্যুত হননি। ভারতের সিকিম সীমান্তে আজও বিশ্বাস করা হয়, তিনি এখনো প্রহরারত আছেন। এই গল্প শুধু এক সৈনিকের নয়, এটি এক অনন্য আধ্যাত্মিক ও দেশপ্রেমের প্রতীক, যা কোটি ভারতীয়ের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। জন্ম ও প্রাথমিক জীবন বাবা হরভজন সিং-এর জন্ম ৩০ আগস্ট ১৯৪৬ সালে পাঞ্জাবের কাপুরথালা জেলার একটি ছোট গ্রামে। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন পরিশ্রমী, সৎ এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ। ভারতের স্বাধীনতার পরবর্তী সময়টায় সীমান্তে নানা সংঘাত চলছিল, আর সেই সময় দেশের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার প্রবল ইচ্ছা থেকেই তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৬৬ সালে তিনি পাঞ্জাব রেজিমেন্ট -এর সঙ্গে যুক্ত হন এবং পরে ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্তে কর্মরত হন। কঠোর শৃঙ্খলা, দায়িত্ববো...

The giant scar on Mars Valles Marineris

Image
মঙ্গল গ্রহের বিশাল ক্ষতচিহ্ন — ভ্যালেস মেরিনারিস ||  The giant scar on Mars — Valles Marineris মহাবিশ্বের এক অনন্য বিস্ময় হলো মঙ্গল গ্রহ। এই লালচে গ্রহটির বুক জুড়ে আছে এমন অনেক রহস্য, যা আজও বিজ্ঞানীদের কৌতূহলের কেন্দ্রে। কিন্তু মঙ্গলের পৃষ্ঠে যে জিনিসটি সবচেয়ে বেশি দৃষ্টি আকর্ষণ করে, সেটি হলো এক বিশালাকার গিরিখাত — ভ্যালেস মেরিনারিস (Valles Marineris) । এটি শুধু মঙ্গলেরই নয়, পুরো সৌরজগতের সবচেয়ে বড় ক্যানিয়ন ব্যবস্থা। যেন এক দৈত্যাকার ক্ষতচিহ্ন, যা মঙ্গলের গায়ে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে কোটি কোটি বছর ধরে। কতটা বিশাল এই ভ্যালেস মেরিনারিস? ভ্যালেস মেরিনারিসের দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,৫০০ কিলোমিটার , যা পৃথিবীর গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের তুলনায় প্রায় দশগুণ বড়। এর প্রস্থ প্রায় ৬০০ কিলোমিটার , আর গভীরতা গড়ে ৭ থেকে ১১ কিলোমিটার পর্যন্ত! যদি এটি পৃথিবীতে থাকত, তবে এটি নিউ ইয়র্ক থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস পর্যন্ত বিস্তৃত হতো। এই পরিসংখ্যান শুনলেই বোঝা যায়, এটি কেবল একটি গিরিখাত নয় — বরং এক মহাজাগতিক বিস্ময়। কীভাবে তৈরি হলো এই বিশাল গিরিখাত? বিজ্ঞানীদের মতে, ভ্যালেস মেরিনারিসের উৎপত্তি ঘটেছে ...

The heroic story of Azad Hind Fauj on the day of Indias true independence

Image
   ২১শে অক্টোবর ১৯৪৩ ভারতের প্রকৃত স্বাধীনতার দিন  আজাদ হিন্দ ফৌজের বীরত্বগাঁথা |  The heroic story of Azad Hind Fauj on the day of India's true independence জয় হিন্দ! ২১শে অক্টোবর—ভারতীয় ইতিহাসের এক অবহেলিত কিন্তু অমর দিন। এই দিনেই সিঙ্গাপুরে গঠিত হয়েছিল  আজাদ হিন্দ সরকার , নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বে। এটি ছিল এক স্বাধীন ভারত সরকারের জন্ম—ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ভারতীয় জাতীয়তাবাদের প্রকৃত ঘোষণা। অথচ আজও এই দিনটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসে যথাযথ মর্যাদা পায়নি। পটভূমি: বিপ্লবের আগুন থেকে জন্ম আজাদ হিন্দের ১৯৪০-এর দশক। ব্রিটিশ শাসনের শৃঙ্খলে জর্জরিত ভারত। একদিকে কংগ্রেসের অহিংস আন্দোলন, অন্যদিকে বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রাম। এই সময়েই জার্মানি থেকে পালিয়ে আসেন  নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু , যিনি বিশ্বাস করতেন— “স্বাধীনতা ভিক্ষা করে পাওয়া যায় না, তাকে অর্জন করতে হয়।” তিনি বার্লিনে প্রথম  Free India Centre  গঠন করেন, পরে জাপানের সহায়তায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় যান এবং ১৯৪৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেন  আজাদ হিন্দ ফৌজ (INA) —ভারতের মুক্তি বাহিনী। এই সেনাবাহিনীর মূল লক...