Posts

Showing posts from September, 2025

The history of names Japan journey from a nameless society to a modern identity

Image
   The history of names Japan's journey from a nameless society to a modern identity |  নামের ইতিহাসে জাপান পদবীহীন সমাজ থেকে আধুনিক পরিচয়ের পথে আজকের পৃথিবীতে পারিবারিক পদবী ছাড়া নাগরিক পরিচয় কল্পনা করাই কঠিন। স্কুলের ভর্তি ফরম, পাসপোর্ট, ব্যাংক হিসাব—সবখানেই নামের সঙ্গে পদবী অপরিহার্য। কিন্তু একসময় জাপানে কেবল ব্যক্তিনামই যথেষ্ট ছিল। আপনি কে, কোন পরিবারের—তা জানানো বাধ্যতামূলক ছিল না। সমাজ চলত অন্য নিয়মে, অন্য পরিচয়ে। প্রাচীন জাপান ও “উজি” প্রথা জাপানের প্রাচীন সমাজে “উজি” বা গোত্রনাম ছিল, কিন্তু তা সবার জন্য নয়। মূলত অভিজাত, ক্ষমতাধর ও রাজদরবারের সঙ্গে যুক্ত পরিবারগুলোই এই গোত্রনাম ব্যবহার করত। সম্রাটের দরবার, উচ্চপদস্থ আমলা এবং সামুরাই বংশের মধ্যে পারিবারিক নাম ছিল মর্যাদার প্রতীক। সাধারণ কৃষক, কারিগর বা ব্যবসায়ীদের আলাদা বংশানুক্রমিক পদবীর প্রয়োজন ছিল না। গ্রামভিত্তিক সমাজে সবাই সবাইকে চিনত নাম, পেশা বা বসবাসের জায়গার মাধ্যমে। প্রশাসনিক কাঠামোও তখন এত বিস্তৃত ছিল না যে প্রতিটি মানুষের জন্য আলাদা পারিবারিক পরিচয় জরুরি হয়ে উঠবে। এই ব্যবস্থার পেছনে ছিল দীর্ঘ সামন্ত...

he is not a burden he is my brother sister japan

Image
He is not a burden hes my brother sister |  সে বোঝা নয়, সে আমার ভাই বোন Brother sister যুদ্ধের ভয়াবহ প্রেক্ষাপট ১৯৪৫ সাল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে জাপান। হিরোশিমা ও নাগাসাকির উপর ভয়ঙ্কর পরমাণু বোমা নেমে এসেছে। মুহূর্তেই শহরগুলো পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। লাখো মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, অগণিত পরিবার হারিয়েছে প্রিয়জনকে। ক্ষুধা, দারিদ্র্য আর মৃত্যু ঘিরে ধরেছিল গোটা দেশকে। এই ভয়াবহ সময়ের একটি ছোট্ট কিন্তু গভীর মানবিক ঘটনা আজও কোটি মানুষের মনে ছাপ রেখে গেছে। কিশোরের অমর উত্তর এক কিশোর, যার ভাই সদ্য মারা গেছে, পিঠে করে ভাইয়ের মৃতদেহ বহন করছে কবরস্থ করার জন্য। ক্লান্ত, দুর্বল কিন্তু দৃঢ়চেতা সে এগিয়ে চলেছে। তখনই একজন সেনা কর্মকর্তা বিষয়টি লক্ষ্য করেন। করুণ সুরে তিনি কিশোরকে বলেন— “লাশটা পিঠ থেকে নামিয়ে দাও, ওটা অনেক ভারী।” কিশোর থেমে দাঁড়ায়, আর দৃঢ় কণ্ঠে উত্তর দেয়— “সে ভারী নয়, সে আমার ভাই।” এই সংক্ষিপ্ত অথচ শক্তিশালী উত্তরটি সেনা কর্মকর্তার হৃদয় কাঁপিয়ে দেয়। মুহূর্তেই তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। কিশোরের এই কথায় ফুটে ওঠে শুধু ভাইয়ের প্রতি ভালোবাসাই নয়...

The birth and childhood of Matangini Hazra

Image
মাতঙ্গিনী হাজরার জন্ম ও শৈশব জীবন | The birth and childhood of Matangini Hazra Matangini Hazra  প্রথম গুলিটা লাগলো বামহাতে, শরীর থরথর করে কাঁপছে .. তবু দেশের পতাকা মাটিতে স্পর্শ করতে দিলেন না। ডানহাত থেকে শাঁখটি মাটিতে পড়ে গেল ... বামহাত থেকে ডানহাতে পতাকাটি নিলেন, শাঁখও তুললেন... উঁচুতে তুলে ধরে বললেন, 'বন্দে মাতরম'। এবারে গুলি করা হলো ডানহাতে ..   বসে পড়লেন মাটিতে ...সন্তানকে আঁকড়ে ধরে রাখার মতো সজোরে বুকে জড়িয়ে ধরলেন প্রিয় পতাকা। এবারে কাপুরুষ পুলিশ অফিসার অনিল ভট্টাচার্য্যের নির্দেশে ৭৩ বছরের বৃদ্ধার কপাল লক্ষ্য করে গুলি করল। ক্ষিন কন্ঠে 'বন্দে .. মাতরাম' ... বলতে বলতে দেশমাতৃকার কোলে চিরনিদ্রায় শুয়ে পড়লেন অাজন্ম-সেবিকা মাতঙ্গিনী হাজরা ... তাঁর লাল রক্তের ফোঁটায় ফোঁটায় ভিজে গেল ভবিষ্যত স্বাধীন দেশের মাটি ... Home ১৮৬৯ সালের ১৭ই নভেম্বর, তমলুকের কাছে হোগলা গ্রামের মাইতি পরিবারে তাঁর জন্ম। যদিও তাঁর সঠিক জন্ম তারিখ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। বাবা ঠাকুরদাস মাইতি এবং মা ভগবতী দেবী'র (বিদ্যাসাগরের বাবা-মা'য়ের নামে ছিল তাঁর বাবা মা'য়ের নাম) তিনি ছিলেন ছোট কন্যা...

The unknown history of The Death of Socrates

Image
  যে ইতিহাস জানা ছিল না  সক্রেটিসের মৃত্যু | The unknown history of the death of Socrates Socrates student মহাজ্ঞানী সক্রেটিসের মৃত্যুদন্ড কার্যকর হবে সন্ধ্যায়। তখনকার নিয়ম অনুযায়ী পরিবারের সবাই এবং একান্ত শিষ্য'রা তার চারপাশ ঘিরে আছেন। Page article কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ। প্রধান কারারক্ষী এসে শেষ বিদায় নিয়ে গেলেন। তার চোখেও অশ্রু টলমল করছে। হায়, কি অদ্ভুত শাস্তি! যে মরবে সে ধীরস্থির, শান্ত। আর যে মারবে তার চোখে জল। কারাগার প্রধান বললেন, 'এথেন্সের হে মহান সন্তান, আপনি আমায় অভিশাপ দিবেন না। আমি দায়িত্ব পালন করছি মাত্র। এতবছর কারাগারে কাজ করেছি, আপনার মতো সাহসী, সৎ এবং জ্ঞানী কাউকে আমি দেখিনি। মৃত্যুর ঠিক আগে সক্রেটিস তার পরিবারের নারী ও শিশুদের চলে যেতে বললেন। সুন্দর পোষাক পরলেন তিনি। শিষ্যরা সবাই কাঁদছে কিন্তু সক্রেটিস যেনো বেপরোয়া। মৃত্যুতে কি কিছুই যায়-আসেনা তার? Home   মৃত্যুদন্ডটা চাইলেই তিনি এড়িয়ে যেতে পারতেন।  তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিলো- দেবতাদের প্রতি ভিন্নমত প্রকাশ, রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং তরুণদের বিপথগামী হতে উৎসাহ প্রদান। নিয়ম অনুযায়ী খোলা মাঠে তা...

woman asked an old fruit seller

Image
এক মহিলা একজন বৃদ্ধা ফল বিক্রেতাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপেলের দাম কত || A woman asked an old fruit seller, How much do apples cost বৃদ্ধা উত্তর দিলেন, "৩০০ টাকা কেজি।" মহিলা বললেন, “আমি ২৫০ টাকা দেব, না দিলে আমি চলে যাব, কিছুই নেব না।” বৃদ্ধা করুণ চোখে উত্তর দিলেন, "আপনি যে দামে চান, তাতেই কিনতে পারেন। এটা আমার জন্য বউনি, কারণ আজ আমি একটাও আপেল বিক্রি করতে পারিনি। বাড়িতে অসুস্থ স্বামী বিছানায় পড়ে আছে, আমার কোনো কর্মক্ষম ছেলেও নাই। পরিবারের জন্য খাবার জোগাড় করতে আমাকে তাই আপেল বিক্রি করতেই হবে।" মহিলা তার পছন্দের দামে ৫ কজি আপেল কিনলেন এবং মনে মনে ভাবলেন তিনি জিতে গেছেন। তিনি আপেল নিয়ে হাজবেন্ডের সাথে তাদের বিলাসবহুল গাড়িতে উঠলেন এবং এরপর more read একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে গিয়ে ঢুকলেন। তারা রেস্টুরেন্টের সবচেয়ে দামি মেনু অর্ডার করলেন। যদিও তারা খেলেন সামান্যই, বেশিরভাগ খাবারই টেবিলে পড়ে থাকল। তাদেরকে ৩৮০০ টাকা বিল দেওয়া হলো। মহিলা ৪০০০ টাকা দিয়ে এলেন এবং মুচকি হেসে মার্জিত রেস্টুরেন্টের ম্যানেজারকে বললেন, "বাকিটা টিপস।" এই গল্পটি একটি বিলাসবহুল রেস্...