The history of names Japan journey from a nameless society to a modern identity

Image
   The history of names Japan's journey from a nameless society to a modern identity |  নামের ইতিহাসে জাপান পদবীহীন সমাজ থেকে আধুনিক পরিচয়ের পথে আজকের পৃথিবীতে পারিবারিক পদবী ছাড়া নাগরিক পরিচয় কল্পনা করাই কঠিন। স্কুলের ভর্তি ফরম, পাসপোর্ট, ব্যাংক হিসাব—সবখানেই নামের সঙ্গে পদবী অপরিহার্য। কিন্তু একসময় জাপানে কেবল ব্যক্তিনামই যথেষ্ট ছিল। আপনি কে, কোন পরিবারের—তা জানানো বাধ্যতামূলক ছিল না। সমাজ চলত অন্য নিয়মে, অন্য পরিচয়ে। প্রাচীন জাপান ও “উজি” প্রথা জাপানের প্রাচীন সমাজে “উজি” বা গোত্রনাম ছিল, কিন্তু তা সবার জন্য নয়। মূলত অভিজাত, ক্ষমতাধর ও রাজদরবারের সঙ্গে যুক্ত পরিবারগুলোই এই গোত্রনাম ব্যবহার করত। সম্রাটের দরবার, উচ্চপদস্থ আমলা এবং সামুরাই বংশের মধ্যে পারিবারিক নাম ছিল মর্যাদার প্রতীক। সাধারণ কৃষক, কারিগর বা ব্যবসায়ীদের আলাদা বংশানুক্রমিক পদবীর প্রয়োজন ছিল না। গ্রামভিত্তিক সমাজে সবাই সবাইকে চিনত নাম, পেশা বা বসবাসের জায়গার মাধ্যমে। প্রশাসনিক কাঠামোও তখন এত বিস্তৃত ছিল না যে প্রতিটি মানুষের জন্য আলাদা পারিবারিক পরিচয় জরুরি হয়ে উঠবে। এই ব্যবস্থার পেছনে ছিল দীর্ঘ সামন্ত...

Famous IT company

 

At the head office of a famous IT company |বিখ্যাত একটি আইটি কোম্পানির হেড অফিসে ইন্টারভিউ চলছে।





✅বিখ্যাত একটি আইটি কোম্পানির হেড অফিসে ইন্টারভিউ চলছে। বিশাল কাঁচঘেরা কনফারেন্স রুম। সাদা দেয়াল, দেয়ালে ঝোলানো বিশ্বমানচিত্র, আর সামনে বসা পাঁচজন অভিজ্ঞ বোর্ড মেম্বার। মাঝখানে বসে আছেন চেয়ারম্যান নিজে।





প্রার্থীদের একে একে ডাকা হচ্ছে। এখন যে নামটি উচ্চারণ করা হলো— "কেবল কান্ত দাস"।


হালকা প্যান্ট-শার্ট পরে, হাতে পুরনো একটা ফাইল নিয়ে ভিতরে ঢুকল ছেলেটা। দেখতে চেহারায় কোন চাকরিপ্রার্থী বলেই মনে হয় না। সাধারণ, কিন্তু চোখদুটো অদ্ভুতভাবে আত্মবিশ্বাসী।



চেয়ারম্যান প্রশ্ন করলেন,

– “তুমি তো খুব সাধারণ একটা ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসেছো। তোমার এই পদের জন্য যোগ্যতা আছে মনে করো?”




ছেলেটা বলল,

– “স্যার, আমি প্রতিদিন রাত ২টা পর্যন্ত দোকানে জুতো পালিশ করেছি। সকাল ৬টায় উঠে ক্লাসে গিয়েছি। হোস্টেলে থাকার টাকাও জোগাড় করতাম জুতো পালিশ করেই। কিন্তু আমার চোখে স্বপ্ন ছিল, আর হাতে ছিল কীবোর্ড। আমি জানি, অন্যদের মতো বড় ডিগ্রি নেই আমার, কিন্তু আমি যা শিখেছি, বাস্তব থেকে শিখেছি।”



বোর্ড মেম্বারদের একজন কৌতূহল নিয়ে প্রশ্ন করলেন,

– “তুমি কবে থেকে জুতো পালিশ শুরু করেছিলে?”


ছেলেটা বলল,

– “আমি তখন ক্লাস সেভেনে পড়ি। বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেন। ঘর ভেঙে পড়ল। খাবার জোটানো দায় হয়ে গেল। তখন আমি সিদ্ধান্ত নেই, পড়াশোনা ছাড়বো না। তাই দিনের বেলায় পড়াশোনা, রাতে বা ছুটির দিনে স্টেশনে গিয়ে জুতো পালিশ করতাম। একদিন একজন বিদেশি ভদ্রলোক তার জুতো পালিশ করতে দিতে এসে আমার সঙ্গে কথা বললেন। আমি ইংরেজিতে উত্তর দিলাম, তিনি চমকে উঠলেন। আমাকে একটা পেনড্রাইভ উপহার দিলেন—ভেতরে ছিল কিছু প্রোগ্রামিং টিউটোরিয়াল।”




চেয়ারম্যান এবার একটু সরে বসলেন।

– “তাহলে তুমি স্বশিক্ষিত প্রোগ্রামার?”


– “হ্যাঁ স্যার। স্টেশনের পাশের ছোট একটা সাইবার ক্যাফেতে গিয়েছি সময় পেলে। ইউটিউব দেখে দেখে কোড শিখেছি। আর অনলাইন কোডিং প্ল্যাটফর্মে সমস্যা সলভ করেছি। প্রথমবার প্রাইজ জিতেছিলাম ৫০০ টাকা, সে টাকা দিয়েই মায়ের জন্য একটা শাড়ি কিনেছিলাম।”




বোর্ডে হালকা হাসির ঢেউ বয়ে যায়। এক সদস্য বললেন,

– “তোমার জীবনটাই তো একটা প্রোগ্রাম, যেখানে তুমিই ডেভেলপার!”


ছেলেটা মাথা নিচু করে একটু মুচকি হাসল।



চেয়ারম্যান এবার জিজ্ঞেস করলেন,

– “এই চাকরিটা তুমি কেন পেতে চাও?”


ছেলেটা এবার একটু থেমে বলল,

– “কারণ আমি জানি, এই চেয়ারটা আমার প্রাপ্য না। কিন্তু এই পরিশ্রমটা আমার প্রাপ্য। আমি চাই আমার ছোট ভাইটা যেন কখনো স্টেশনে গিয়ে জুতো পালিশ না করে। আমি চাই আমার মা যেন মাথা উঁচু করে বলতে পারেন, ‘আমার ছেলেটা এখন অফিসে বসে কীবোর্ড চালায়।’”




ঘরে আর কেউ কিছু বলতে পারল না। কয়েক মুহূর্তের জন্য নিস্তব্ধতা।





চেয়ারম্যান ধীরে ধীরে চেয়ার থেকে উঠলেন, সামনে গিয়ে ছেলেটার হাতে হাত রেখে বললেন,

– “তোমার মতো ছেলে আমাদের কোম্পানির গর্ব হতে পারে। তুমি নিয়োগপ্রাপ্ত, কেবলকান্ত দাস। আর তুমি শুধু কীবোর্ড নয়, অনেক হৃদয় জয় করে নিয়েছো আজ।”


ঘরে করতালির শব্দ উঠল। একেকটা শব্দ যেন সমাজের প্রতিটা দরজায় কড়া নাড়ল।


আর কেবল কান্ত দাস —একজন জুতো পালিশ করা ছেলে, সেইদিন অফিস থেকে বের হলো—সেই চোখে স্বপ্ন আর হাতে অফার লেটার নিয়ে।




জীবনের শুরু কোথা থেকে হয়েছে তা বড় কথা নয়। বড় কথা হলো—তুমি কোথায় পৌঁছাতে চাইছো, আর পৌঁছানোর জন্য তুমি কতটা চেষ্টা করছো। সুযোগ যদি না-ও আসে, প্রস্তুত থাকো—তোমার প্রস্তুতিই একদিন সুযোগ তৈরি করে দিবে।


**It doesn't matter where you start in life. What matters is where you want to go and how hard you work to get there. Even if the opportunity doesn't come, be prepared - your preparation will create the opportunity one day**



More related topics



Hard times are your greatest opportunity |কঠিন সময়টাই তোমার সবচেয়ে বড় সুযোগ!







Comments

Popular posts from this blog

A girl was having bangla golpo

The Alexandria Feeding Bottle is a death trap of a mistaken discovery

Mandra was sitting bangla golpo