সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বৈশিষ্ট্য

The universe is distant even at the speed of light Human wonder on the way to Proxima Centauri

  আলোর গতিতেও দূর মহাবিশ্ব প্রক্সিমা সেন্টোরির পথে মানুষের বিস্ময় | The universe is distant even at the speed of light: Human wonder on the way to Proxima Centauri মহাবিশ্বের বিশালতা বোঝার জন্য মানুষ হাজার বছর ধরে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। রাতের আকাশে অসংখ্য নক্ষত্রকে কাছাকাছি মনে হলেও বাস্তবে তাদের মধ্যকার দূরত্ব এতটাই বিশাল যে তা কল্পনাকেও হার মানায়। আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান আমাদের সেই বিস্ময়কর সত্যের সামনে দাঁড় করিয়েছে, যেখানে এমনকি মহাবিশ্বের সর্বোচ্চ অনুমোদিত গতি—আলোর গতি—ব্যবহার করেও নিকটতম নক্ষত্রে পৌঁছাতে বহু বছর সময় লাগে। এই সত্য কেবল বৈজ্ঞানিক তথ্য নয়, বরং মানুষের অস্তিত্ব ও মহাবিশ্ব সম্পর্কে গভীর অনুভূতির জন্ম দেয়। পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২৯৯,৭৯২ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে। এটি এমন এক অবিশ্বাস্য গতি, যা পৃথিবীকে মাত্র এক সেকেন্ডে প্রায় সাড়ে সাতবার প্রদক্ষিণ করতে সক্ষম। তবুও এই গতি মহাকাশের বিশালতার তুলনায় ক্ষুদ্র বলে মনে হয়। কারণ পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্রমণ্ডল প্রক্সিমা সেন্টোরি থেকে আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে সময় নেয় প্রায় ৪.২৪ ...

Evaluation of the gap between

Evaluation of the gap between the present and the past ||বর্তমান সময়ে এবং আগের সময়ের ব্যবধানের মূল্যায়ন 





বর্তমান সময়ে এবং আগের সময়ের ব্যবধানের মূল্যায়ন 

একটি ছোট্ট মেয়ের গল্প 


না পড়লেই মিস করবেন এমন সুন্দর ঘটনা 

রোজ  রাতেই আমি টের পাই 

আমার  মেয়ে রাতে টুনুর টুনুর করে

 ফোনে কথা বলে। 


আমি ওর রুমে গেলেই 

একেবারে চুপ হয়ে ঘুমের ভান ধরে

মরা ব্যাঙ্গের মতো পড়ে থাকে।


 আমি ওর মা 

আমিও এমন করে ওর বাপের সাথে প্রেম করতাম।

 তখন ফোন ছিলো না,

 রাতে আমরা চিঠি আদান-প্রদান করতাম।


আমার আব্বারে দেখলে আমিও মরা ব্যাঙের মতো পড়ে থাকতাম।





আমি ভাবলাম  কিছু একটা করতে হবে। 

আব্বা  আমার কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলো।


তাই আমি পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে ছিলাম


 কিন্তু  এই ডিজিটাল বাংলার মা আমি - 

আমাকে এসব করা চলবে না


টেকনিক করে সমাধান দিতে হবে! যেন লাঠি না ভাংঙ্গে সাপ যেন মরে  হিহিহি


 মেয়ে যখন ওয়াশ রুমে গেলো

 ওর ফোনটা নিয়ে দেখলাম! 


বাহ রিসিভ কল ভর্তি হয়ে আছে

 একটি নাম্বার 

আর তা জান নাম দিয়ে  সেভ করা।


 সুন্দরভাবে ওই নাম্বারটা টুকে নিলাম।





ব্যাস! 

রান্নাঘরে গিয়ে ওই নাম্বারে মেসেজ দিলাম, 


জান আমি রেনু, এটা আমার নতুন নাম্বার। 


আগের নাম্বারে ভুলেও কল দিবা না। 

ওটা মায়ের কাছে। 


আগের নাম্বার ব্লক লিস্টে দাও এখনি। 

এখন থেকে মেসেজিং করবো।

 মা টের পেয়েছে সব

 তাই কিছুদিন কথা বলা যাবে না 


ওপাশ থেকে টং করে ফেরত মেসেজ আসলো,

 আচ্ছা জান! ❗

কি করছো সোনা?❓





মনে মনে ভাবলাম, 

তোরে একবার হাতের নাগালে পাই

 সোনা পুড়ে তামা বানামু।


আমি মেসেজ দিলাম, 

কিছু না জান, 

মন খারাপ। 

এভাবেই আমাদের মেসেজিং চলতেই রইলো,


 প্রায় ৫ দিনের মাথায়

 আমি ভোর রাতেও বারান্দায় গিয়ে মেসেজিং করতাম। 

আমার বর মহাশয় ইদানিং

 আমার দিকে কেমন সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকায়! 

তাতে কিছুই যায় আসে না। 


আমার কাছে মেয়ের লাইফ আগে। 

আমি কিছুদিন মেসেজিং করলে 

আমার মেয়ে এইদিক থেকে

 ওই ছেলেকে ভুলে যাবে। 

ইদানিং আমার মেয়েকেও মন মরা দেখি। 


নাম্বার ব্লক লিস্টে দিয়েছে তাই! 






যাক, অবশেষে আমি ভাবলাম 

আমি সেই ছেলের সাথে দেখা করি। 

ওকে গিয়ে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসবো ।


তাহলে আমি successful !


সাজুগুজু করছি,

 মন বেশ ফুরফুরা লাগছে

 আজ সেই বেয়াদবকে চরম ধোলাই দিবো।


আমার বর মশাই পেপার পড়া বাদ দিয়ে

 আমায় আড় চোখে দেখছে 

আর জিজ্ঞেস করছে 


মশাই - কি কই যাও ম্যাডাম? 


ওকে বললে ও ব্যাপারটা নিয়ে ঝগড়া আরম্ভ শুরু করবে । 





তাই বললাম 

Me:-- বাজারে কিছু কেনার আছে!


মশাইই -: এই বিকেল বেলা?


  Me -: মধু নাই বাসায়, 

তুমি তো জানো 

সকালে খালি পেটে আমি মধু খাই। 

ডায়েট করতেছি তাই।


বাসা থেকে নেমে পার্কে গিয়ে দাঁড়িয়ে আছি,

অল্প বয়সী কাউকেই দেখছি না। 

কিন্তু আমার বরের চেয়েও বয়স্ক লোক

 আমার পাশে ঘুরঘুর করছে। 


ফোনটা হাতে নিয়ে আবার মেসেজ দিলাম 

Me- কই তুমি? 


ওপাশ থেকে মেসেজ না দিয়ে কল দিলো! 


আমি রিসিভ করে চুপ করে আছি, 

কি অদ্ভুত!!






আমার পাশে দাঁড়ানো লোকটির কানেও ফোন

 আর আমার দিকে শকুনের মতো তাকিয়ে আছে,


 আমি কেটে দিয়ে আবার কল দিলাম 📱


আমি আরো শিহরিত হলাম!!


ফোন বাজছে ওই লোকের হাতের টাই!!! 


রেগে গিয়ে বললাম,

 Me-: আপনিই সেই মানুষ!

ছিঃ!! 

মেয়ের বয়সী একজন এর সাথে 

প্রেম করতে লজ্জা লাগে না?😠😠


আবার তারে জান, সোনা ডাকেন!


লোকটি তীব্র দৃষ্টিতে

 আমার দিকে তাকিয়ে বলে,

 বেত্তমিস মহিলা!


তিনকাল গিয়ে আপনার এক কালে ঠেকেছে

 আর এখন বাচ্চার বয়সী ছেলেকে বিরক্ত করেন!


ঝগড়ার একপর্যায়ে জানতে পারলাম,

 আমার মেয়ে ওই লোকের ছেলের সাথে প্রেম করে।


 তিনি তার ছেলের ফোন নিয়ে গিয়েছিলো, 

আর আমি এতদিন তার ছেলে ভেবে তার সাথেই প্রেমালাপন করেছিলাম!





 দুজন ই এক পর্যায়ে হাসতে হাসতে মরার উপক্রম হয়েছে। 

দুই ব্যর্থ গোয়েন্দাই এক পর্যায় কফি শপে বাসলাম।


 নিজের কর্মকাণ্ডের জন্য সরিও বললাম, 

তিনিও বললেন।

 ভাবলাম বিয়াই হিসেবে ছেলের বাবা মন্দ না।

 হেসে হেসে বললাম

 ছেলের ফোনটা বাসায় গিয়ে 

ছেলেকে দিয়ে দিয়েন,


 আমার মেয়ে খুবই মন মরা হয়ে আছে।


সে উঠে বললো, 

আগে মেসেজিং গুলি মুছে নেই। 

এমন প্রেমালাপ দেখলে মামলা খেয়ে যাবো

 হাহাহা


আমি হেসে কুটকুট হয়ে কফির কাফে চুমুক দিবো


তখন ই দেখছি আমার দিকে 

রাক্ষসের মতো তাকিয়ে আছে রেনুর বাবা!


Me-: এ কি তুমি এখানে?


মশাই :- বাহ! আরজু বাহ! 

না আসলে তো আমি এমন রঙ্গ দেখতেই পেতাম না! 

 Me-: এই কি বলো?

 ভুল ভাবছো তুমি । 

ছিঃ এত নিচু তুমি?


 মশাই -: এখন তো আমি তিতা হয়ে গেছি

 আর এই বেটা মধু? 

তাইতো ভ্রমর মধু খেতে এসেছে

, খাওয়াও মধু।





এই বলে রেনুু বাবা চলে যাচ্ছে....


আমি পিছন পিছন ছুটছি,

 বিয়াই মশাই উঠে বললো, 

ঘাবরাবেন না সোনা!

 থুক্কু আপা। 

আমি আছি সবসময় আপনার পাশে।


Me-; (রেগে বললাম) চুপ কর টাকলা ব্যাটা! 

মেয়ের প্রেম ভাঙতে গিয়ে 

আমার সংসার ই ভাঙ্গার উপক্রম হয়েছে!


 ও রেনুর আব্বা.... দাড়াও.. 

তুমি ভুল ভাবতেছো,

 দুনিয়ার সব মধুই ভেজাল, 

তুমি ই আসল.....


ওওও..রেনুর আব্বা দাড়াও কইলাম.....





More related topic


Visit our homepage → Ebook Bangla Free Books


The heart of a young man with a fresh | তরতাজা সুঠাম দেহের একজন যুবকেরহৃদপিণ্ড টেনে বের করা হয়েছে। 





মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ