Skip to main content

Evaluation of the gap between

Evaluation of the gap between the present and the past ||বর্তমান সময়ে এবং আগের সময়ের ব্যবধানের মূল্যায়ন 





বর্তমান সময়ে এবং আগের সময়ের ব্যবধানের মূল্যায়ন 

একটি ছোট্ট মেয়ের গল্প 


না পড়লেই মিস করবেন এমন সুন্দর ঘটনা 

রোজ  রাতেই আমি টের পাই 

আমার  মেয়ে রাতে টুনুর টুনুর করে

 ফোনে কথা বলে। 


আমি ওর রুমে গেলেই 

একেবারে চুপ হয়ে ঘুমের ভান ধরে

মরা ব্যাঙ্গের মতো পড়ে থাকে।


 আমি ওর মা 

আমিও এমন করে ওর বাপের সাথে প্রেম করতাম।

 তখন ফোন ছিলো না,

 রাতে আমরা চিঠি আদান-প্রদান করতাম।


আমার আব্বারে দেখলে আমিও মরা ব্যাঙের মতো পড়ে থাকতাম।





আমি ভাবলাম  কিছু একটা করতে হবে। 

আব্বা  আমার কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলো।


তাই আমি পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে ছিলাম


 কিন্তু  এই ডিজিটাল বাংলার মা আমি - 

আমাকে এসব করা চলবে না


টেকনিক করে সমাধান দিতে হবে! যেন লাঠি না ভাংঙ্গে সাপ যেন মরে  হিহিহি


 মেয়ে যখন ওয়াশ রুমে গেলো

 ওর ফোনটা নিয়ে দেখলাম! 


বাহ রিসিভ কল ভর্তি হয়ে আছে

 একটি নাম্বার 

আর তা জান নাম দিয়ে  সেভ করা।


 সুন্দরভাবে ওই নাম্বারটা টুকে নিলাম।





ব্যাস! 

রান্নাঘরে গিয়ে ওই নাম্বারে মেসেজ দিলাম, 


জান আমি রেনু, এটা আমার নতুন নাম্বার। 


আগের নাম্বারে ভুলেও কল দিবা না। 

ওটা মায়ের কাছে। 


আগের নাম্বার ব্লক লিস্টে দাও এখনি। 

এখন থেকে মেসেজিং করবো।

 মা টের পেয়েছে সব

 তাই কিছুদিন কথা বলা যাবে না 


ওপাশ থেকে টং করে ফেরত মেসেজ আসলো,

 আচ্ছা জান! ❗

কি করছো সোনা?❓





মনে মনে ভাবলাম, 

তোরে একবার হাতের নাগালে পাই

 সোনা পুড়ে তামা বানামু।


আমি মেসেজ দিলাম, 

কিছু না জান, 

মন খারাপ। 

এভাবেই আমাদের মেসেজিং চলতেই রইলো,


 প্রায় ৫ দিনের মাথায়

 আমি ভোর রাতেও বারান্দায় গিয়ে মেসেজিং করতাম। 

আমার বর মহাশয় ইদানিং

 আমার দিকে কেমন সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকায়! 

তাতে কিছুই যায় আসে না। 


আমার কাছে মেয়ের লাইফ আগে। 

আমি কিছুদিন মেসেজিং করলে 

আমার মেয়ে এইদিক থেকে

 ওই ছেলেকে ভুলে যাবে। 

ইদানিং আমার মেয়েকেও মন মরা দেখি। 


নাম্বার ব্লক লিস্টে দিয়েছে তাই! 






যাক, অবশেষে আমি ভাবলাম 

আমি সেই ছেলের সাথে দেখা করি। 

ওকে গিয়ে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসবো ।


তাহলে আমি successful !


সাজুগুজু করছি,

 মন বেশ ফুরফুরা লাগছে

 আজ সেই বেয়াদবকে চরম ধোলাই দিবো।


আমার বর মশাই পেপার পড়া বাদ দিয়ে

 আমায় আড় চোখে দেখছে 

আর জিজ্ঞেস করছে 


মশাই - কি কই যাও ম্যাডাম? 


ওকে বললে ও ব্যাপারটা নিয়ে ঝগড়া আরম্ভ শুরু করবে । 





তাই বললাম 

Me:-- বাজারে কিছু কেনার আছে!


মশাইই -: এই বিকেল বেলা?


  Me -: মধু নাই বাসায়, 

তুমি তো জানো 

সকালে খালি পেটে আমি মধু খাই। 

ডায়েট করতেছি তাই।


বাসা থেকে নেমে পার্কে গিয়ে দাঁড়িয়ে আছি,

অল্প বয়সী কাউকেই দেখছি না। 

কিন্তু আমার বরের চেয়েও বয়স্ক লোক

 আমার পাশে ঘুরঘুর করছে। 


ফোনটা হাতে নিয়ে আবার মেসেজ দিলাম 

Me- কই তুমি? 


ওপাশ থেকে মেসেজ না দিয়ে কল দিলো! 


আমি রিসিভ করে চুপ করে আছি, 

কি অদ্ভুত!!






আমার পাশে দাঁড়ানো লোকটির কানেও ফোন

 আর আমার দিকে শকুনের মতো তাকিয়ে আছে,


 আমি কেটে দিয়ে আবার কল দিলাম 📱


আমি আরো শিহরিত হলাম!!


ফোন বাজছে ওই লোকের হাতের টাই!!! 


রেগে গিয়ে বললাম,

 Me-: আপনিই সেই মানুষ!

ছিঃ!! 

মেয়ের বয়সী একজন এর সাথে 

প্রেম করতে লজ্জা লাগে না?😠😠


আবার তারে জান, সোনা ডাকেন!


লোকটি তীব্র দৃষ্টিতে

 আমার দিকে তাকিয়ে বলে,

 বেত্তমিস মহিলা!


তিনকাল গিয়ে আপনার এক কালে ঠেকেছে

 আর এখন বাচ্চার বয়সী ছেলেকে বিরক্ত করেন!


ঝগড়ার একপর্যায়ে জানতে পারলাম,

 আমার মেয়ে ওই লোকের ছেলের সাথে প্রেম করে।


 তিনি তার ছেলের ফোন নিয়ে গিয়েছিলো, 

আর আমি এতদিন তার ছেলে ভেবে তার সাথেই প্রেমালাপন করেছিলাম!





 দুজন ই এক পর্যায়ে হাসতে হাসতে মরার উপক্রম হয়েছে। 

দুই ব্যর্থ গোয়েন্দাই এক পর্যায় কফি শপে বাসলাম।


 নিজের কর্মকাণ্ডের জন্য সরিও বললাম, 

তিনিও বললেন।

 ভাবলাম বিয়াই হিসেবে ছেলের বাবা মন্দ না।

 হেসে হেসে বললাম

 ছেলের ফোনটা বাসায় গিয়ে 

ছেলেকে দিয়ে দিয়েন,


 আমার মেয়ে খুবই মন মরা হয়ে আছে।


সে উঠে বললো, 

আগে মেসেজিং গুলি মুছে নেই। 

এমন প্রেমালাপ দেখলে মামলা খেয়ে যাবো

 হাহাহা


আমি হেসে কুটকুট হয়ে কফির কাফে চুমুক দিবো


তখন ই দেখছি আমার দিকে 

রাক্ষসের মতো তাকিয়ে আছে রেনুর বাবা!


Me-: এ কি তুমি এখানে?


মশাই :- বাহ! আরজু বাহ! 

না আসলে তো আমি এমন রঙ্গ দেখতেই পেতাম না! 

 Me-: এই কি বলো?

 ভুল ভাবছো তুমি । 

ছিঃ এত নিচু তুমি?


 মশাই -: এখন তো আমি তিতা হয়ে গেছি

 আর এই বেটা মধু? 

তাইতো ভ্রমর মধু খেতে এসেছে

, খাওয়াও মধু।





এই বলে রেনুু বাবা চলে যাচ্ছে....


আমি পিছন পিছন ছুটছি,

 বিয়াই মশাই উঠে বললো, 

ঘাবরাবেন না সোনা!

 থুক্কু আপা। 

আমি আছি সবসময় আপনার পাশে।


Me-; (রেগে বললাম) চুপ কর টাকলা ব্যাটা! 

মেয়ের প্রেম ভাঙতে গিয়ে 

আমার সংসার ই ভাঙ্গার উপক্রম হয়েছে!


 ও রেনুর আব্বা.... দাড়াও.. 

তুমি ভুল ভাবতেছো,

 দুনিয়ার সব মধুই ভেজাল, 

তুমি ই আসল.....


ওওও..রেনুর আব্বা দাড়াও কইলাম.....





More related topic


Visit our homepage → Ebook Bangla Free Books


The heart of a young man with a fresh | তরতাজা সুঠাম দেহের একজন যুবকেরহৃদপিণ্ড টেনে বের করা হয়েছে। 





Comments

Popular posts from this blog

A girl was having bangla golpo

  একটি মেয়ের বিবাহিত জীবনে প্রচুর অশান্তি হচ্ছিল সে কোনো ভাবেই |  A girl was having a lot of trouble in her married life English convert scroll 👇 Married life পরিবর্তনের শুরু নিজেকে বদলে দেওয়া থেকেই : তার স্বামীকে মেনে নিতে পারছিল না,মনের মধ্যে এতোটাই রাগ জন্মেছিল যে সে তার স্বামীকে খুন পর্যন্ত করতে চাইছে।  একদিন সকালে সে তার মায়ের কাছে গিয়ে বললো- “আমি আমার স্বামীকে নিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি,আমি আর তার বাজে কথা মেনে নিতে পারছি না। আমি তাকে খুন করতে চাই,কিন্তু আমি ভয়‌ পাচ্ছি যে দেশের আইন আমাকে দায়ী করবে। তুমি কি এই বিষয়ে আমাকে সাহায্য করতে পারো মা..??” bangla golpo মা উত্তর দিলেন- “হ্যাঁ, আমি তোমাকে সাহায্য করতে পারি। তবে তার আগে কয়েকটি কাজ আছে যা তোমাকে করতে হবে।” মেয়ে জিজ্ঞাসা করলো- “কি কাজ মা..?? আমি তাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য যে কোনো কাজ করতে প্রস্তুত আছি।” মা বললেন- “ঠিক আছে, তাহলে শোনো:- ১. তোমাকে প্রথমেই তার সাথে খুব ভালোভাবে শান্তিতে কিছুদিন থাকতে হবে,যাতে সে মারা যাওয়ার পর কেউ তোমাকে সন্দেহ করতে না পারে। ২. তার কাছে সুন্দরী এবং আকর্ষণীয়া দেখাব...

The Alexandria Feeding Bottle is a death trap of a mistaken discovery

‘ আলেকজান্দ্রিয়া ফিডিং বোতল’ এক ভুল আবিষ্কারের মরণফাঁদ  |  The Alexandria Feeding Bottle is a death trap of a mistaken discovery শিশুর জন্য মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ। সেই ভালোবাসাকেই সহজ করার নামে ইতিহাসে অনেক সময় কিছু আবিষ্কার এসেছে, যেগুলোর শেষ পরিণতি দাঁড়িয়েছে ভয়ংকর বিপদের নামান্তর হয়ে। এমনই এক উদাহরণ হলো ফিডিং বোতল, বিশেষ করে উনবিংশ শতকের ইংল্যান্ডে ব্যবহৃত তথাকথিত “আলেকজান্দ্রিয়া ফিডিং বোতল”, যাকে আরেক নামে ডাকা হতো “খুনি বোতল” বলে। কেন এমন নাম? সেই গল্প বুঝতে গেলে যেতে হবে রানী ভিক্টোরিয়ার শাসনামলের ইংল্যান্ডে। সে সময় সমাজে দ্রুত পরিবর্তন আসছিল। শিল্পবিপ্লবের পর হাজার হাজার নারী কারখানায় কর্মরত ছিলেন। মাতৃত্বের পাশাপাশি গৃহকর্ম বা পেশাগত দায়িত্ব সামলানো ছিল অত্যন্ত কঠিন। তাই প্রয়োজন ছিল এমন কোনো উপায়ের, যাতে শিশু নিজেরাই দুধ পান করতে পারে এবং মা কিছুটা সময় নিজের কাজে ব্যয় করতে পারেন। এই চাহিদাকে কেন্দ্র করে তৈরি হলো নানা রকম ফিডিং বোতল, যার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে বোতলগুলোকে বলা হতো “বাঞ্জো বোতল”। অদ্ভুত বঙ্কিম আকৃতির কারণে এই নাম। বোতলের একপাশ ফুলানো,...

Mandra was sitting bangla golpo

Mandra was sitting quietly in a corner of the hospital's black chair. She suddenly fainted ||হাসপাতালের কালো চেয়ারের এক কোণে চুপচাপ বসেছিল মন্দ্রা হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাওয়ায় বেশি কিছু ভাবনা চিন্তা না করেই সে বাবাকে সামনের হাসপাতালে নিয়ে এসেছে| খানিক আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারল বাবার মাথায় ক্লট জমেছে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অপারেশন করাতে হবে| এদিকে দিন আনি দিন খাই পরিবার, তার টিউশনের দু হাজার টাকাও পরিবারের কাছে অনেক| ষাট হাজার টাকা... অঙ্কটা তাদের মতো পরিবারের জন্য অনেক| দিন দুয়েকের মধ্যে তো দূর, বছরখানেকের মধ্যেও জোগাড় করতে পারবে কিনা সন্দেহ! রিসেপশন ডেস্কে বসা গোলাপি ইউনিফর্ম পরা মহিলার কাছ থেকে টাকার অঙ্কটা শোনার পরপরই মন্দ্রার মনে হল মাথায় আকাশ ভেঙে পড়া বোধহয় একেই বলে| এত টাকা জোগাড় করার সামর্থ্য নেই তার, তবে কি বাবা আর প্রাণে বাঁচবে না? মা কেমন ছিল ভাল করে মনেও নেই তার, অভাবের সঙ্গে যুদ্ধ করতে না পেরে তাকে ফেলে পালিয়েছে| বাবাই খেয়ে না খেয়ে পক্ষী মাতার মতো বুকে আগলে রেখেছিল এতদিন| কিন্তু বাবাই যদি তারাদের দেশে চলে যায়, একলা কিভাবে বাঁচবে মন্দ্রা? কথাটা ...