সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বৈশিষ্ট্য

The man who paved the way for the creation of AI he sounded a dire warning What is Geoffrey Hinton fear

  যে মানুষ AI তৈরির পথ দেখালেন, তিনিই শোনালেন ভয়ংকর সতর্কবার্তা! জিওফ্রে হিন্টনের আশঙ্কা কী? || The man who paved the way for the creation of AI, he sounded a dire warning! What is Geoffrey Hinton's fear? Geoffrey Hinton আজকের পৃথিবীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI মানুষের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা এবং গবেষণা—প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই বাড়ছে AI-এর ব্যবহার। ChatGPT-এর মতো প্রযুক্তি মানুষের কাজকে সহজ করছে, সময় বাঁচাচ্ছে এবং নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিচ্ছে। কিন্তু এই প্রযুক্তির উন্নয়নের পেছনে যাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে, তাঁদেরই একজন এখন এর সম্ভাব্য বিপদ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। তিনি হলেন জিওফ্রে হিন্টন (Geoffrey Hinton)। আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অন্যতম পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত এই বিজ্ঞানী ২০২৪ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। মানুষের মস্তিষ্কের কার্যপ্রণালি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিউরাল নেটওয়ার্ক নিয়ে তাঁর গবেষণা আজকের আধুনিক AI প্রযুক্তির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তবে এই প্রযুক্তির ভব...

Aru and Asif bangla golpo


Aru and Asif both got a chance at Rajshahi University. Both are in the same department ||আরু আর আসিফ  দুজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছে।   দুজনই একি ডিপার্টমেন্ট 





আজ তাদের প্রথম দিন ভার্সিটি তে। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে আরু রেডি হচ্ছে। প্রথম দিন তাই আগে ভাগে গিয়ে পুরো ভার্সিটি টা ঘুরে দেখার জন্য যাবে। সকাল সকাল আসিফ কেও ফোন দিয়ে তাকে ঘুম থেকে তুলে। আরুর ফোন পেয়ে,আসিফ বিরক্ত হয়ে বলে, 




 এতো সকালে ঘুম থেকে কে উঠে। আর তুই মিঙ্গেল মানুষ কোথায় দেরি করে উঠবি তা না করে এতো সকালে উঠেছিস কেন।

ওই বান্দর সকাল ৭ টা বাজে। এটা কত সকাল হ্যাঁ । আর আমি মিঙ্গেল বলে, যে দেরি করে ঘুম থেকে উঠতে হবে এটা কোথায় লেখা আছে।

আরে তুই যে এতো বক বক করিস সেটা কি আব্রাহাম ভাই যানে।




আমি বক বক করলে তো আব্রাহাম ভাইয়ের কি হ্যাঁ । আব্রাহাম কে কি আমি ভয় পাই নাকি । কথাটা শেষ হতেই পুরুষালি শক্ত হাতে  কেউ পেছন থেকে আরুকে জরিয়ে ধরে বলে, তাই নাকি মেডাম। আপনি আমাকে ভয় পান না। হটাৎ করে আব্রাহাম এর এমন কান্ডে আরুর পুরো শরীরে শিহরণ খেলে গেল। গায়ের লোম গুলো কেমন লজ্জা পেয়ে খাঁড়া হয়ে গেল। ভালো লাগার অনুভুতি গুলো ভিতরে দোল খেয়ে গেল। পুরো শরীরটা কেমন অবস হয়ে এলো। শরীর টা কেঁপে কেঁপে উঠতে দেখে আব্রাহাম আরুর কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলে, 


আমি তো কিছুই করিনি এখনও। কেবল জরিয়ে ধরতেই এ অবস্থা তাহলে বাকি টা করলে তোমাকে খুঁজে পাওয়া যায় কি না সন্দেহ।

আব্রাহাম এর লাগাম ছাড়া কথা শুনে আরুর শরীর আরো কাঁপছে ‌ । নিজের প্রিয় মানুষ টা কে এতো কাছে অনুভব করে সে নিজে কে স্থির রাখতে পারছেনা। আস্তে আস্তে সে নিজের শরির টা আব্রাহামের উপর ছেড়ে দেয়। আরুকে নিজের উপর ঢলে পড়তে দেখে তড়িঘড়ি করে আরুকে নিজের সাথে ভালো করে মিশিয়ে নেয়।আরুকে বুকের সাথে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলে,




হাই খোদা জরিয়ে ধরেই যদি এ অবস্থা হয় তাহলে আর আমার জিবনে বাবা আর হওয়া হবেনা। এ মেয়ের মুখে শুধু সাহস দেখাই আর আসলে এ ভিতুর ডিম একটা। সামন্য জরিয়ে কি ধরলাম তাতেই সেন্সলেস। আরুকে বিছানায় শুয়ে দিয়ে বলে, এ সাহস নিয়ে আমার কাছে স্ত্রীর অধিকার আদায় করতে গিয়েছিল ভাবলেই আমার হাসি পায়।





নির্জন রজনী ব্যাস্ত শহরে যে যার মতো ব্যাস্ত। কেউ কেউ ঘুমে বিভোর।আবার কেউ কেউ তার প্রিয় মানুষ টার সাথে ব্যাক্তিগত সময় পাড় করে। আব্রাহাম আর আরু পাশাপাশি বসে আছে ছাঁদে। দুজনের হাতে কফির মগ। কফিতে চুমুক দিয়ে আব্রাহাম বলে,

আমাকে কি মাপ করা যায় না আরু।

কিসের জন্য মাপ করবো কিসের জন্য মাপ চাইছেন বুজলাম না। অবাক হয়ে বলে আরু।

আমার সব কৃতকর্মের জন্য। আমি ভুল না আমি পাপ করেছি তুমি আমাকে ক্ষমা করো। আমি এ অনুশোচনা নিয়ে শান্তি তে  নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। আমি কথা দিচ্ছি আমি আর কোনো দিন তোমাকে অভিযোগ করার সুযোগ দিবো। প্লিজ আমাকে ক্ষমা করো। আরুর হাত ধরে আব্রাহাম কথাটা বলে। আরু অবাক হয়ে যায় সে ভাবতে পারেনি আব্রাহাম তার কাছে ক্ষমা চাইবে। আরু বলে




আপনাকে আমি ক্ষমা করার কে , আমি তো এবাড়ির আশ্রিতা আর আপনি মালিক। মালিক হয়ে আশ্রিতার কাছে ক্ষমা চেয়ে লজ্জায় ফেলবেন না।

এভাবে বলিওনা প্লিজ। আমি তোমায় কথা দিচ্ছি আমি এমন কিছু করবো না যার জন্য তুমি কষ্ট পাও। আমাকে এবারের মতো ক্ষমা করো। 

আরু বলে, আচ্ছা ক্ষমা করে দিলাম। আরুর কথা শুনে আব্রাহাম আরুর হাত টা আরো শক্ত করে ধরে বলে, 

অনেক কষ্ট দিয়েছি না তোমাকে তার জন্য তুমি আমাকে যা শাস্তি দিবে আমি তা মাথা পেতে নেব।

আরু এবার আব্রাহামের দিকে ভালো করে তাকায়। মানুষ টার মুখে অনুশোচনা   স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। আরু বলে, আপনাকে শাস্তি পেতে হবে না। আপনি যে আপনার ভুল বুঝতে পেরেছেন এটাই অনেক। 

আব্রাহাম আরুর মুখের দিকে তাকিয়ে আছে, সে ভাবতেই পারেনি আরু তাকে এতো সহজে ক্ষমা করে দিবে। সে খুশি হয়ে আরুর সামনে হাঁটু গেড়ে বসে, পকেটে থেকে একটা রিং বের করে বলে,

আমি  তোমাকে আমার থেকেও বেশী ভালোবাসবো।কথা দিলাম। তুমি আমার কাছে আমার রানি হয়ে থাকবে।আমি তোমাকে যে সব অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছি সে সব ফিরিয়ে দিয়ে সন্মানের সাথে তোমাকে আবার বিয়ে করে তোমার প্রাপ্য মর্যাদা দিতে চাই। তুমি কি আরেক বার এ অধম কে বিয়ে করবে। আর হ্যাঁ গল্প ছোট বলে কেউ লজ্জা দিবেন না। আমি জানি গল্প টা ছোট 

আরুর এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আব্রাহামের দিকে। সে ভাবছে এটা সত্যি নাকি তার কাল্পা। আরু  বলে,আমি স্বপ্ন দেখছি নাকি। আব্রাহাম মুচকি হেসে বলে, না এটা সত্যি। আরু বলে , জানেন তো মানুষ কোনো জিনিস সহজে পেয়ে গেল সেটার কদর করে না।তাই আমার আপনাকে বিশ্বাস করতে একটু কষ্ট হচ্ছে।




আরুর কথা শুনে আব্রাহাম এর মুখ টা মলিন হয়ে যায়। সে বলে কথা দিচ্ছি আমি তোমাকে কোনো দিন কষ্ট দিবো না আমাকে শেষ একটা সুযোগ দিয়ে দেখো।আরু অনেক ক্ষন ভেবে তার পর বলে, আপনাকে শেষ সুযোগ দিলাম। এর পর আর আমার বিশ্বাসের মর্যাদা না দেন তখন আর আমাকে হারিয়ে_খুজবে_না_তো।আর খুজলেও পাবেনা।

আব্রাহাম আরুর অনামিকা আঙ্গুলে রিং টা পরিয়ে বলে, তো মিসেস আব্রাহাম রেডি হোন আমাকে নতুন করে বিয়ে করার জন্য।আরু শুধু মুচকি হাসি দেয়।




Next page

More related topics 


Visit our homepage → Ebook Bangla Free Books




If there is no death, what will happen? |যদি মৃত্যু না হয়, কী হবে তাহলে







মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ