সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বৈশিষ্ট্য

The universe is distant even at the speed of light Human wonder on the way to Proxima Centauri

  আলোর গতিতেও দূর মহাবিশ্ব প্রক্সিমা সেন্টোরির পথে মানুষের বিস্ময় | The universe is distant even at the speed of light: Human wonder on the way to Proxima Centauri মহাবিশ্বের বিশালতা বোঝার জন্য মানুষ হাজার বছর ধরে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। রাতের আকাশে অসংখ্য নক্ষত্রকে কাছাকাছি মনে হলেও বাস্তবে তাদের মধ্যকার দূরত্ব এতটাই বিশাল যে তা কল্পনাকেও হার মানায়। আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান আমাদের সেই বিস্ময়কর সত্যের সামনে দাঁড় করিয়েছে, যেখানে এমনকি মহাবিশ্বের সর্বোচ্চ অনুমোদিত গতি—আলোর গতি—ব্যবহার করেও নিকটতম নক্ষত্রে পৌঁছাতে বহু বছর সময় লাগে। এই সত্য কেবল বৈজ্ঞানিক তথ্য নয়, বরং মানুষের অস্তিত্ব ও মহাবিশ্ব সম্পর্কে গভীর অনুভূতির জন্ম দেয়। পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২৯৯,৭৯২ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে। এটি এমন এক অবিশ্বাস্য গতি, যা পৃথিবীকে মাত্র এক সেকেন্ডে প্রায় সাড়ে সাতবার প্রদক্ষিণ করতে সক্ষম। তবুও এই গতি মহাকাশের বিশালতার তুলনায় ক্ষুদ্র বলে মনে হয়। কারণ পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্রমণ্ডল প্রক্সিমা সেন্টোরি থেকে আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে সময় নেয় প্রায় ৪.২৪ ...

Education Suzan Mithi bangla golpo


স্কার্ট ছেড়ে সদ্য সালোয়ার তখন আমি তুমি আমার পায়ের|I just left the skirt and put on my salwar You are my feet



বিদ্যে কিন্তু!সুজান মিঠি || But in education!

Suzan Mithi







পাতায় কাগজের টুকরো ছুঁড়লে।

তুলে নিয়ে কপালে ঠেকিয়ে বললাম, বিদ্যে কিন্তু! 

পায়ে ঠেকলে পাপ হয়।

তুমি টুক করে হেসে দিলে।

টিফিন শেষের ঘণ্টা পড়ল।

দুজনেই দুজনের ক্লাসে বসলাম।


অমনোযোগী, বাতাস থেকে হাসি লুফে নিচ্ছে হৃদয়। 

শিরায় উপশিরায় প্রবাহিত হতে হতে ঠোঁটে এসে ঠেকছে।

দিদিমণি ভীষণ কড়া।

কান ধরে দাঁড় করিয়ে দিলেন।

বুকের মধ্যে ঢেউ বাড়তে বাড়তে ক্লাস টেন, ইলেভেন, টুয়েলভ…


তোমার কলেজ শেষ হল। 

চাকরি পেলে। 

আমার কোলে মাথা রেখে মাঠের ঘাস ছিঁড়লে।

চিনেবাদামের খোসা উড়িয়ে বললে, আর কতদিন? 

আমার বুকের ঢেউ থেমে প্রশ্ন শুনে নিল।

তারপর আমার চোখ হাসল। 

বললাম, শক্ত করে বাঁধতে হবে না? 


চুলে বিনুনি, চোখে চশমা, সিফনের শাড়ি…

একদিন আমিও দিদিমণির চেয়ারে বসলাম। 

আস্কারা দিলাম উড়ন্ত মনদের।

আনমনে হাসলাম। 



ঘর বাঁধলাম।

সে ঘরের ছাতের উপর বৃষ্টি পড়ল।

রোদ্দুর নেমে এল।

মেঝের উপর গড়াগড়ি খেল বাতাস।

কানে কানে বলে গেল, আমি কিন্তু আয়ু নিয়ে এসেছি। যত ইচ্ছে তুলে নাও।

আমি তোমার বুকে মাথা রেখে গুনলাম,

বাইশ, পঁচিশ, পঞ্চাশ, সত্তর…





এই দেখ, ভুলেই গেছি! 

মধ্যে দুটো ফুল ফুটল তো!

বাগান বুনেছিলাম যে! 

সে ফুল ফুটেই হাসল। 

হাসতে হাসতে ভালোবাসল। 

ভালোবাসতে বাসতে ভেসে গেল…

তাদের সৌরভ গিয়ে পৌঁছাল পশ্চিমে।

সে ফুলেরা নিয়ম করে টেলিফোনে গন্ধ পাঠায়,

খেয়েছ তো? ভালো আছো তো? 


ভালো আছি। 

কতবার যে মেঘ করেছে! ঘিরে ধরেছে আমার এলোচুল! তোমার চোখে অন্ধকার নেমে এসেছে! 

আমি কেঁদেছি। তুমিও আবডালে ভিজে মাটি হয়েছ, তারপর উঠে এসে হাত ধরে বলেছ

মেঘের পরেই তো সূর্য থাকে! 

তাও মেঘ দেখলেই অমন ভয় কেন পাই বলো তো দুজন? 





বাতাস আবার আসে। মেঝের উপর হামাগুড়ি দিতে দিতে বলে, বয়স বাড়ছে রে মেয়ে! 

আয়ু তো কমবেই রে!


বাতাস চলে যেতেই তোমার মুখে হাসি।

কোঁকড়ানো ত্বকে ফাল্গুন যেন! 

আর একবার স্কার্ট পরবে?

দেখো দিকি কাণ্ড! অবেলায় কেমন আবদার! 

আর কি সেই ফর্সা নিটোল পা আছে? যে কাগজ ছুঁড়ে লিখবে ভালবাসি…

আমি বলব, বিদ্যে পায়ে লাগলে পাপ হবে কিন্তু! 




তুমি বললে, আমি বেশ মূর্তি গড়তে পারি, দেখবে? 

আচ্ছা দেখাও। বসলাম আমি। 


বাতাস কাঁপতে কাঁপতে এল। বড় দূর্বল!

আয়ু ফুরিয়েছে সেই কবে…





আমি কাঁদলাম। হোক দূর্বল! তবু কিছুতেই আমি

ওকে যেতে দেব না! 


তুমি মূর্তি গড়লে। নিটোল পা আমার।

কাগজের টুকরোয় লিখলে, ভালবাসি…

আমি তোমার কাগজ তুলে নিয়ে কপালে ঠেকালাম। বললাম, বিদ্যে কিন্তু…!


আমার দুই ফুলের ফোন পশ্চিম থেকে পূর্বে বেজেই চলল…


দেখেছ, ভালবাসতে বাসতে কবে যে দুজনেই মরে গেছি বুঝতেই পারিনি!  





Next page click


Visit our homepage → Ebook Bangla Free Books



I wasn't feeling well, so I woke up a little late. |শরীরটা ভালো লাগছিলো না তাই ঘুম থেকে উঠতে একটু দেরি হয়ে গেলো।





মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ