সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বৈশিষ্ট্য

Per month Even at the age of 90 Fayyaz Ali Khan rushed to collect his royal pension

মাসে মাত্র ৯ টাকা ৭০ পয়সা! ৯০ বছর বয়সেও রাজকীয় পেনশন নিতে ছুটে আসেন ফাইয়াজ আলী খান Only 9 taka 70 paisa per month! Even at the age of 90, Fayyaz Ali Khan rushed to collect his royal pension বয়স তাঁর ৯০ বছর। শরীরের ভারে হাত কাঁপে, হাঁটার গতিও আগের মতো নেই। জীবনের দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এসেছেন তিনি। তবুও নির্দিষ্ট সময়ে নিয়ম করে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় হাজির হন ফাইয়াজ আলী খান। কারণ, সেখানে গেলে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি ঐতিহাসিক অর্থপ্রাপ্তি—যার পরিমাণ শুনলে আজকের দিনে অবাক হতে হয়। মাসে মাত্র ৯ টাকা ৭০ পয়সা । এই সামান্য অর্থের জন্য কেন ৯০ বছর বয়সেও তিনি নিয়ম করে আসেন? এর উত্তর লুকিয়ে রয়েছে ইতিহাসের পাতায়। হুসেনাবাদের ফাইয়াজ আলী খান ‘ওয়াসিকা’ নামে পরিচিত একটি ঐতিহাসিক পেনশনের প্রাপক। আওয়াধের নবাব পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত উত্তরাধিকারীদের মধ্যে তিনি বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ২০০ জনের একজন, যারা উত্তরাধিকারসূত্রে এই অর্থ পেয়ে থাকেন। কী এই ‘ওয়াসিকা’? ‘ওয়াসিকা’ শব্দটির উৎস ফারসি। এটি মূলত একটি ঐতিহাসিক আর্থিক ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে আওয়াধের নবাব পরিবারের বংশধর এবং তাঁদের সঙ্গে ...

Education Suzan Mithi bangla golpo


স্কার্ট ছেড়ে সদ্য সালোয়ার তখন আমি তুমি আমার পায়ের|I just left the skirt and put on my salwar You are my feet



বিদ্যে কিন্তু!সুজান মিঠি || But in education!

Suzan Mithi







পাতায় কাগজের টুকরো ছুঁড়লে।

তুলে নিয়ে কপালে ঠেকিয়ে বললাম, বিদ্যে কিন্তু! 

পায়ে ঠেকলে পাপ হয়।

তুমি টুক করে হেসে দিলে।

টিফিন শেষের ঘণ্টা পড়ল।

দুজনেই দুজনের ক্লাসে বসলাম।


অমনোযোগী, বাতাস থেকে হাসি লুফে নিচ্ছে হৃদয়। 

শিরায় উপশিরায় প্রবাহিত হতে হতে ঠোঁটে এসে ঠেকছে।

দিদিমণি ভীষণ কড়া।

কান ধরে দাঁড় করিয়ে দিলেন।

বুকের মধ্যে ঢেউ বাড়তে বাড়তে ক্লাস টেন, ইলেভেন, টুয়েলভ…


তোমার কলেজ শেষ হল। 

চাকরি পেলে। 

আমার কোলে মাথা রেখে মাঠের ঘাস ছিঁড়লে।

চিনেবাদামের খোসা উড়িয়ে বললে, আর কতদিন? 

আমার বুকের ঢেউ থেমে প্রশ্ন শুনে নিল।

তারপর আমার চোখ হাসল। 

বললাম, শক্ত করে বাঁধতে হবে না? 


চুলে বিনুনি, চোখে চশমা, সিফনের শাড়ি…

একদিন আমিও দিদিমণির চেয়ারে বসলাম। 

আস্কারা দিলাম উড়ন্ত মনদের।

আনমনে হাসলাম। 



ঘর বাঁধলাম।

সে ঘরের ছাতের উপর বৃষ্টি পড়ল।

রোদ্দুর নেমে এল।

মেঝের উপর গড়াগড়ি খেল বাতাস।

কানে কানে বলে গেল, আমি কিন্তু আয়ু নিয়ে এসেছি। যত ইচ্ছে তুলে নাও।

আমি তোমার বুকে মাথা রেখে গুনলাম,

বাইশ, পঁচিশ, পঞ্চাশ, সত্তর…





এই দেখ, ভুলেই গেছি! 

মধ্যে দুটো ফুল ফুটল তো!

বাগান বুনেছিলাম যে! 

সে ফুল ফুটেই হাসল। 

হাসতে হাসতে ভালোবাসল। 

ভালোবাসতে বাসতে ভেসে গেল…

তাদের সৌরভ গিয়ে পৌঁছাল পশ্চিমে।

সে ফুলেরা নিয়ম করে টেলিফোনে গন্ধ পাঠায়,

খেয়েছ তো? ভালো আছো তো? 


ভালো আছি। 

কতবার যে মেঘ করেছে! ঘিরে ধরেছে আমার এলোচুল! তোমার চোখে অন্ধকার নেমে এসেছে! 

আমি কেঁদেছি। তুমিও আবডালে ভিজে মাটি হয়েছ, তারপর উঠে এসে হাত ধরে বলেছ

মেঘের পরেই তো সূর্য থাকে! 

তাও মেঘ দেখলেই অমন ভয় কেন পাই বলো তো দুজন? 





বাতাস আবার আসে। মেঝের উপর হামাগুড়ি দিতে দিতে বলে, বয়স বাড়ছে রে মেয়ে! 

আয়ু তো কমবেই রে!


বাতাস চলে যেতেই তোমার মুখে হাসি।

কোঁকড়ানো ত্বকে ফাল্গুন যেন! 

আর একবার স্কার্ট পরবে?

দেখো দিকি কাণ্ড! অবেলায় কেমন আবদার! 

আর কি সেই ফর্সা নিটোল পা আছে? যে কাগজ ছুঁড়ে লিখবে ভালবাসি…

আমি বলব, বিদ্যে পায়ে লাগলে পাপ হবে কিন্তু! 




তুমি বললে, আমি বেশ মূর্তি গড়তে পারি, দেখবে? 

আচ্ছা দেখাও। বসলাম আমি। 


বাতাস কাঁপতে কাঁপতে এল। বড় দূর্বল!

আয়ু ফুরিয়েছে সেই কবে…





আমি কাঁদলাম। হোক দূর্বল! তবু কিছুতেই আমি

ওকে যেতে দেব না! 


তুমি মূর্তি গড়লে। নিটোল পা আমার।

কাগজের টুকরোয় লিখলে, ভালবাসি…

আমি তোমার কাগজ তুলে নিয়ে কপালে ঠেকালাম। বললাম, বিদ্যে কিন্তু…!


আমার দুই ফুলের ফোন পশ্চিম থেকে পূর্বে বেজেই চলল…


দেখেছ, ভালবাসতে বাসতে কবে যে দুজনেই মরে গেছি বুঝতেই পারিনি!  





Next page click


Visit our homepage → Ebook Bangla Free Books



I wasn't feeling well, so I woke up a little late. |শরীরটা ভালো লাগছিলো না তাই ঘুম থেকে উঠতে একটু দেরি হয়ে গেলো।





মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ