Posts

Showing posts from November, 2025

The history of names Japan journey from a nameless society to a modern identity

Image
   The history of names Japan's journey from a nameless society to a modern identity |  নামের ইতিহাসে জাপান পদবীহীন সমাজ থেকে আধুনিক পরিচয়ের পথে আজকের পৃথিবীতে পারিবারিক পদবী ছাড়া নাগরিক পরিচয় কল্পনা করাই কঠিন। স্কুলের ভর্তি ফরম, পাসপোর্ট, ব্যাংক হিসাব—সবখানেই নামের সঙ্গে পদবী অপরিহার্য। কিন্তু একসময় জাপানে কেবল ব্যক্তিনামই যথেষ্ট ছিল। আপনি কে, কোন পরিবারের—তা জানানো বাধ্যতামূলক ছিল না। সমাজ চলত অন্য নিয়মে, অন্য পরিচয়ে। প্রাচীন জাপান ও “উজি” প্রথা জাপানের প্রাচীন সমাজে “উজি” বা গোত্রনাম ছিল, কিন্তু তা সবার জন্য নয়। মূলত অভিজাত, ক্ষমতাধর ও রাজদরবারের সঙ্গে যুক্ত পরিবারগুলোই এই গোত্রনাম ব্যবহার করত। সম্রাটের দরবার, উচ্চপদস্থ আমলা এবং সামুরাই বংশের মধ্যে পারিবারিক নাম ছিল মর্যাদার প্রতীক। সাধারণ কৃষক, কারিগর বা ব্যবসায়ীদের আলাদা বংশানুক্রমিক পদবীর প্রয়োজন ছিল না। গ্রামভিত্তিক সমাজে সবাই সবাইকে চিনত নাম, পেশা বা বসবাসের জায়গার মাধ্যমে। প্রশাসনিক কাঠামোও তখন এত বিস্তৃত ছিল না যে প্রতিটি মানুষের জন্য আলাদা পারিবারিক পরিচয় জরুরি হয়ে উঠবে। এই ব্যবস্থার পেছনে ছিল দীর্ঘ সামন্ত...

The worlds largest overhead reservoir is the Tala Tank in Kolkata

Image
  পৃথিবীর বৃহত্তম ওভারহেড রিজার্ভার হলো কলকাতার ‘টালা ট্যাঙ্ক’। The world's largest overhead reservoir is the 'Tala Tank' in Kolkata. Taka Tank বিস্ময়কর টালা ট্যাঙ্ক শহরের প্রাণের আধার কলকাতা শুধু সংস্কৃতি-সাহিত্য বা রাজনৈতিক ইতিহাসে সমৃদ্ধ নয়—এ শহরের বুকে লুকিয়ে আছে অসংখ্য প্রকৌশল-কীর্তি। তারই এক অমলিন দৃষ্টান্ত ‘টালা ট্যাঙ্ক’ —যা শুধু ভারতেই নয়, সমগ্র পৃথিবীর বৃহত্তম ওভারহেড ওয়াটার রিজার্ভার হিসেবে স্বীকৃত। বিস্ময়কর নির্মাণশৈলী, প্রায় শতাধিক বছরের ইতিহাস, আর লাখ লাখ মানুষের তৃষ্ণা মেটানোর নিরলস দায়িত্ব—সব মিলিয়ে টালা ট্যাঙ্ক কলকাতার গর্ব, বাঙালির অহংকার। কলকাতার জল সমস্যার শুরু ১৭১৭ সালে মোঘল সম্রাট ফারুকশিয়ারের কাছ থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যখন ৩৮টি গ্রাম অধিগ্রহণ করল, তার মধ্যেই জন্ম নিল কলকাতার ভবিষ্যৎ। কিন্তু ধীরে ধীরে শহর বিস্তার লাভের সাথে সাথে সবচেয়ে বড় সঙ্কট দেখা দিল – বিশুদ্ধ পানীয় জল । তখন পরিষ্কার জল পাওয়ার উৎস বলতে ছিল কেবল পুকুর। হেদুয়া, ভবানীপুর ও ওয়েলিংটনের বড় বড় পুকুর থেকে জল তুলে নাগরিকদের সরবরাহ করা হতো। কিন্তু জনসংখ্যা যত বাড়ল, প্রয়োজনীয় জলের পর...

Stan Larkins incredible life of days without a human heart

Image
  স্ট্যান লারকিন মানব হৃদপিণ্ড ছাড়াই ৫৫৫ দিনের অবিশ্বাস্য জীবন |  Stan Larkin's incredible life of 555 days without a human heart মানবদেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কোনটি—এ প্রশ্ন করলে নিশ্চয়ই সবার প্রথমেই মনে আসে হৃদপিণ্ডের কথা। কারণ হৃদপিণ্ডই আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে দেয়। একটি সেকেন্ডও এটি থেমে গেলে আমরা বেঁচে থাকতে পারি না। কিন্তু পৃথিবীতে এমন একজন মানুষ আছেন, যিনি দীর্ঘ ৫৫৫ দিন নিজের শরীরে এক ফোঁটা মানব হৃদপিণ্ড ছাড়াই বেঁচে ছিলেন! শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটি সত্য। সেই মানুষটির নাম স্ট্যান লারকিন , যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান রাজ্যের বাসিন্দা। স্ট্যান লারকিনের গল্প চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি অনন্য কীর্তি, আবার মানব ইচ্ছাশক্তির সবচেয়ে বড় উদাহরণ। তার জীবনের প্রতিটি দিন ছিল সংগ্রামে ভরা। কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি। বাঁচার তীব্র আকাঙক্ষা এবং আধুনিক চিকিৎসার অসামান্য অগ্রগতির সমন্বয়েই সম্ভব হয়েছে এই বিস্ময়কর ঘটনা। মারণ হৃদরোগ: ফ্যামিলিয়াল কার্ডিওমায়োপ্যাথি স্ট্যান লারকিন ছোটবেলায় থেকেই খেলাধুলা করতে ভালোবাসতেন। বিশেষ করে বাস্কেটবল ছিল তার সবচেয়ে...

Hemendra Mohan Bose is a forgotten hero of the Renaissance

Image
হেমেন্দ্র মোহন বসু এক বিস্মৃত নবজাগরণের নায়ক |  Hemendra Mohan Bose is a forgotten hero of the Renaissance Hemendra mohan বাংলার ঘরে ঘরে কলের গান, প্রথম রেকর্ড, প্রথম রঙিন ছবি—যার হাত ধরে নবজাগরণের নতুন অধ্যায় বাংলার নবজাগরণ মানেই আমরা সাধারণত বাংলা সাহিত্য, শিল্প, বিজ্ঞান ও স্বাধীনতা চেতনার উত্থানকে বুঝি। বঙ্কিমচন্দ্র, বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ, জগদীশচন্দ্র, রমণী চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ অগ্রজেরা এই নবজাগরণে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছেন। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু নায়ক আছেন, যাদের অবদানের আলোর ছটা আজও মানুষের অজানা। তাদের স্মৃতি হয়তো ঘোলাটে হয়ে যায় সময়ের ধুলোর আড়ালে। তেমনি এক বিস্মৃত নায়কের নাম— হেমেন্দ্র মোহন বসু বা এইচ বোস । ডাক্তারি পড়তে গিয়েও তিনি যে শিল্পবিপ্লবের অগ্রযোদ্ধা হয়ে উঠবেন—কেউ ভাবেনি। তাঁর সৃজনশীলতা, উদ্যোগী মন এবং নতুন প্রযুক্তির প্রতি সীমাহীন আগ্রহ তাঁকে ইতিহাসের এক অনন্য উচ্চতায় বসিয়েছে। বাংলার প্রথম রেকর্ড কোম্পানি প্রতিষ্ঠা, প্রথম রঙিন আলোকচিত্র নির্মাণ, বিজ্ঞাপনী বিপ্লব, সাহিত্য ক্ষেত্রে পুরস্কার প্রবর্তন—সবখানে তাঁর উজ্জ্বল পদচিহ্ন। রেকর্ড ব্যবসায় বাংলার প্র...

Even after being martyred baba Harbhajan Singh still serves on duty at the Indian border

Image
  শহীদ হওয়ার পরও বাবা হরভজন সিং এখনো ভারতের সীমান্তে ডিউটি দেন ||  Even after being martyred, father Harbhajan Singh still serves on duty at the Indian border Harbhajan Singh ভারতের সীমান্ত রক্ষাকারী সৈনিকদের মধ্যে একজনের নাম আজও কিংবদন্তির মতো উচ্চারিত হয়— বাবা হরভজন সিং । তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন সাহসী জওয়ান, যিনি মৃত্যুর পরও তাঁর কর্তব্য থেকে বিচ্যুত হননি। ভারতের সিকিম সীমান্তে আজও বিশ্বাস করা হয়, তিনি এখনো প্রহরারত আছেন। এই গল্প শুধু এক সৈনিকের নয়, এটি এক অনন্য আধ্যাত্মিক ও দেশপ্রেমের প্রতীক, যা কোটি ভারতীয়ের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। জন্ম ও প্রাথমিক জীবন বাবা হরভজন সিং-এর জন্ম ৩০ আগস্ট ১৯৪৬ সালে পাঞ্জাবের কাপুরথালা জেলার একটি ছোট গ্রামে। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন পরিশ্রমী, সৎ এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ। ভারতের স্বাধীনতার পরবর্তী সময়টায় সীমান্তে নানা সংঘাত চলছিল, আর সেই সময় দেশের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার প্রবল ইচ্ছা থেকেই তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৬৬ সালে তিনি পাঞ্জাব রেজিমেন্ট -এর সঙ্গে যুক্ত হন এবং পরে ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্তে কর্মরত হন। কঠোর শৃঙ্খলা, দায়িত্ববো...