The history of names Japan journey from a nameless society to a modern identity

Image
   The history of names Japan's journey from a nameless society to a modern identity |  নামের ইতিহাসে জাপান পদবীহীন সমাজ থেকে আধুনিক পরিচয়ের পথে আজকের পৃথিবীতে পারিবারিক পদবী ছাড়া নাগরিক পরিচয় কল্পনা করাই কঠিন। স্কুলের ভর্তি ফরম, পাসপোর্ট, ব্যাংক হিসাব—সবখানেই নামের সঙ্গে পদবী অপরিহার্য। কিন্তু একসময় জাপানে কেবল ব্যক্তিনামই যথেষ্ট ছিল। আপনি কে, কোন পরিবারের—তা জানানো বাধ্যতামূলক ছিল না। সমাজ চলত অন্য নিয়মে, অন্য পরিচয়ে। প্রাচীন জাপান ও “উজি” প্রথা জাপানের প্রাচীন সমাজে “উজি” বা গোত্রনাম ছিল, কিন্তু তা সবার জন্য নয়। মূলত অভিজাত, ক্ষমতাধর ও রাজদরবারের সঙ্গে যুক্ত পরিবারগুলোই এই গোত্রনাম ব্যবহার করত। সম্রাটের দরবার, উচ্চপদস্থ আমলা এবং সামুরাই বংশের মধ্যে পারিবারিক নাম ছিল মর্যাদার প্রতীক। সাধারণ কৃষক, কারিগর বা ব্যবসায়ীদের আলাদা বংশানুক্রমিক পদবীর প্রয়োজন ছিল না। গ্রামভিত্তিক সমাজে সবাই সবাইকে চিনত নাম, পেশা বা বসবাসের জায়গার মাধ্যমে। প্রশাসনিক কাঠামোও তখন এত বিস্তৃত ছিল না যে প্রতিটি মানুষের জন্য আলাদা পারিবারিক পরিচয় জরুরি হয়ে উঠবে। এই ব্যবস্থার পেছনে ছিল দীর্ঘ সামন্ত...

Hemendra Mohan Bose is a forgotten hero of the Renaissance

হেমেন্দ্র মোহন বসু এক বিস্মৃত নবজাগরণের নায়ক | Hemendra Mohan Bose is a forgotten hero of the Renaissance




Hemendra mohan


বাংলার ঘরে ঘরে কলের গান, প্রথম রেকর্ড, প্রথম রঙিন ছবি—যার হাত ধরে নবজাগরণের নতুন অধ্যায়

বাংলার নবজাগরণ মানেই আমরা সাধারণত বাংলা সাহিত্য, শিল্প, বিজ্ঞান ও স্বাধীনতা চেতনার উত্থানকে বুঝি। বঙ্কিমচন্দ্র, বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ, জগদীশচন্দ্র, রমণী চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ অগ্রজেরা এই নবজাগরণে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছেন। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু নায়ক আছেন, যাদের অবদানের আলোর ছটা আজও মানুষের অজানা। তাদের স্মৃতি হয়তো ঘোলাটে হয়ে যায় সময়ের ধুলোর আড়ালে। তেমনি এক বিস্মৃত নায়কের নাম—হেমেন্দ্র মোহন বসু বা এইচ বোস

ডাক্তারি পড়তে গিয়েও তিনি যে শিল্পবিপ্লবের অগ্রযোদ্ধা হয়ে উঠবেন—কেউ ভাবেনি। তাঁর সৃজনশীলতা, উদ্যোগী মন এবং নতুন প্রযুক্তির প্রতি সীমাহীন আগ্রহ তাঁকে ইতিহাসের এক অনন্য উচ্চতায় বসিয়েছে। বাংলার প্রথম রেকর্ড কোম্পানি প্রতিষ্ঠা, প্রথম রঙিন আলোকচিত্র নির্মাণ, বিজ্ঞাপনী বিপ্লব, সাহিত্য ক্ষেত্রে পুরস্কার প্রবর্তন—সবখানে তাঁর উজ্জ্বল পদচিহ্ন।



রেকর্ড ব্যবসায় বাংলার প্রথম সফল স্বপ্নদ্রষ্টা

ঊনবিংশ শতকের শেষপ্রান্ত আর বিংশ শতকের শুরু—এই সময়টা ছিল বিশ্বব্যাপী যান্ত্রিক শিল্পবিপ্লবের যুগ। সেই সময় ভারতবর্ষে গ্রামোফোনের চাহিদা বাড়ছিল ঠিকই, কিন্তু রেকর্ড রেকর্ডিং ও উৎপাদনের কেন্দ্র ছিল ইউরোপে। বাংলা গান শুনতে হলে ইংল্যান্ড থেকে রেকর্ড এসে পৌঁছাতে সময় লাগত মাসের পর মাস।

এই সমস্যাটির সমাধান করতে এগিয়ে আসেন হেমেন্দ্র মোহন বসু।
১৯০২ সালে তিনি কলকাতার হ্যারিসন রোডে প্রতিষ্ঠা করেন “এইচ বোস রেকর্ড” — দেশের প্রথম রেকর্ড ফ্যাক্টরি।

সেই বছরই রেকর্ড করা হয় বাংলা গানের ইতিহাসের প্রথম ডিস্ক—
গহরজানের কণ্ঠে "কি লাগিল re", "নদিয়া এধার খাঁড়ার ধারে" প্রভৃতি গান।
এই রেকর্ড শুধু বাংলা সঙ্গীত জগতেই বিপ্লব আনেনি—
এটি সাধারণ মানুষের ঘরে নতুন বিনোদন মাধ্যম নিয়ে আসে। শুরু হয় ‘কলের গান’ এর যুগ।

Hemendra mohan bose



বাংলার প্রথম রঙিন আলোকচিত্র—এক বিস্ময় সৃষ্টি

আজ রঙিন ছবি আমাদের জীবনের অংশ। কিন্তু এক শতাব্দী আগে রঙিন আলোকচিত্র ছিল সম্পূর্ণ অসম্ভবের মতো।
হেমেন্দ্র মোহন বসু সেই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছিলেন।

তিনি ইউরোপ থেকে রঙিন ফটোগ্রাফির যন্ত্রপাতি এনে কলকাতায় প্রথম রঙিন আলোকচিত্র তৈরি করেন। সে যুগে যন্ত্রের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও তিনি প্রযুক্তির পরিসর পাল্টে দিয়েছিলেন। তার তোলা ছবিগুলো শুধু শিল্প নয়—বাংলার প্রযুক্তিগত ইতিহাসের অমূল্য সম্পদ



বিজ্ঞাপন জগতের পথিকৃৎ: “কুন্তলীন” ও “দেলখোশ”

হেমেন্দ্র মোহন বসু শুধু প্রযুক্তিবিদই নন—দূরদর্শী উদ্যোক্তাও ছিলেন।
তিনি কুন্তলীন তেল এবং দেলখোশ পারফিউম নামে সুগন্ধি ও কেশতেল বাজারে আনেন।
আর সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়—

এই পণ্যের বিজ্ঞাপন লিখেছিলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর!

শুধু তাই নয়, বিজ্ঞাপনের জন্য তিনি লিথোগ্রাফিক রঙিন ছাপার যুগ শুরু করেন কলকাতায়।
যা পরবর্তীতে বিজ্ঞাপন শিল্পে এক নতুন দিগন্ত তৈরি করে।

বাংলা সাহিত্য পুরস্কারের সূচনা—“কুন্তলীন পুরস্কার”

সাহিত্যপ্রেমী হেমেন্দ্র মোহন বসু উপলব্ধি করেছিলেন—গুণী সাহিত্যিকদের কৃতিত্বের যথাযথ মূল্যায়ন প্রয়োজন। সেই ভাবনা থেকে তাঁরই উদ্যোগে শুরু হয়—

বাংলা ভাষার প্রথম বড় সাহিত্য পুরস্কার—“কুন্তলীন পুরস্কার”।

প্রথমদিকেই এই পুরস্কার অর্জন করেন বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তি লেখক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, তাঁর “মন্দির” গল্পের জন্য।
এছাড়াও অন্য বিশিষ্ট লেখকেরাও বিভিন্ন সময়ে এই সম্মানে ভূষিত হন।



জগদীশচন্দ্র বসুর ভাগ্না—বিজ্ঞান ও সৃজনশীলতার মিলন

হেমেন্দ্র মোহন বসু ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুর ভাগ্না
পরিবার থেকেই তিনি পেয়েছিলেন উদ্ভাবনী ও চিন্তাশীল পরিবেশ।

তাঁর সন্তানরাও ছিলেন প্রতিভায় অনন্য—

নামপরিচয়কৃতিত্বকার্তিক বসুবাংলার ক্রিকেট অধিনায়কজাতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রে সম্মাননীতিন বসুকিংবদন্তি সিনেমাটোগ্রাফার ও পরিচালকদাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার প্রাপ্ত

এক পরিবারে এত ভিন্ন ক্ষেত্রে এত বড় সাফল্য বিরল।


কেন আমরা তাঁকে ভুলে গেছি?

এ প্রশ্ন আমাদের ইতিহাসবোধকে বিব্রত করে।
কয়েকটি কারণ—

বিদেশি কোম্পানির আক্রমণাত্মক ব্যবসায়িক নীতি


সেই সময়ের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের প্রাধান্য


শিল্পবিপ্লবের নায়কদের প্রতি কম গুরুত্ব


ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন নীরব, প্রচারবিমুখ


যার ফলে তাঁর অবদান ধীরে ধীরে আড়ালে চলে যায়।




বাংলার নবজাগরণে তাঁর প্রকৃত গুরুত্ব

হেমেন্দ্র মোহন বসু ছিলেন—

শিল্প বিপ্লবের অগ্রদূত
বাংলার বিনোদনযুগের স্রষ্টা
প্রযুক্তি ও সাহিত্যের সেতুবন্ধনকারী
উদ্যোক্তা ও গবেষণা মনস্ক মনীষী

তিনি বাংলা সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে তুলে ধরেছিলেন।
তিনি দেখিয়েছিলেন—উদ্ভাবন মানেই শুধু বৈজ্ঞানিক গবেষণা নয়, মানুষের জীবনযাত্রায় বাস্তব পরিবর্তন।

উপসংহার

১৫০ বছর পেরিয়ে গেছে তাঁর জন্মের।
বাংলার প্রথম রেকর্ড, প্রথম রঙিন ছবি, প্রথম সাহিত্য পুরস্কার—
এই সকল প্রথমের পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন একজনই মানুষ

👉 হেমেন্দ্র মোহন বসু — একজন মানুষ, একটি যুগ, এক পূর্ণাঙ্গ নবজাগরণ।

ইতিহাসের প্রান্তে চাপা থাকা এই নায়কের নাম
আবার উচ্চারণ করা আমাদের দায়িত্ব।
তাঁর অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া মানে—
বাংলার ঐতিহ্যকে পুনরায় প্রাণ দেওয়া।

নবজাগরণের আলোশিখা কখনও নিভে যায় না

আপনি কি এটি ব্লগ আকারে SEO সহ সাজিয়ে প্রকাশ করতে চান? 



More page new articale:


শহীদ হওয়ার পরও বাবা হরভজন সিং এখনো ভারতের সীমান্তে ডিউটি দেন || Even after being martyred, father Harbhajan Singh



পৃথিবীর বৃহত্তম ওভারহেড রিজার্ভার হলো কলকাতার ‘টালা ট্যাঙ্ক’।The world's largest overhead reservoir is the 'Tala Tank' in Kolkata.


Baba Harbajan sing current on duty and his life





Comments

Popular posts from this blog

A girl was having bangla golpo

The Alexandria Feeding Bottle is a death trap of a mistaken discovery

Mandra was sitting bangla golpo