Posts

Showing posts from May, 2025

Happy new year 2026 countdown Why New Years don't start at the same time

Image
পৃথিবীতে নববর্ষ কেন একসঙ্গে শুরু হয় না সময় অঞ্চল ও আন্তর্জাতিক তারিখরেখার গল্প Happy new year 2026 countdown   Why New Years don't start at the same time around the world The story of time zones and the International Date Line Happy new year image নববর্ষ মানেই নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন আর পুরোনো হিসাব–নিকাশ ঝেড়ে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার এক প্রতীকী মুহূর্ত। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে পৃথিবীর সব মানুষ একসঙ্গে নববর্ষ উদযাপন করে না। একই দিনে হলেও বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন অঞ্চলে নববর্ষ শুরু হয় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে। এর মূল কারণ পৃথিবীর সময় অঞ্চল ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক তারিখরেখা (International Date Line)। এই প্রবন্ধে আমরা সহজ ভাষায় বুঝে নেব, কেন পৃথিবীতে নববর্ষ ধাপে ধাপে শুরু হয়, কোথায় প্রথম নববর্ষ আসে, আর কোথায় সর্বশেষ নববর্ষ উদযাপিত হয়। পৃথিবীর সময় অঞ্চল কীভাবে তৈরি হয়েছে পৃথিবী নিজের অক্ষে ঘুরতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা সময় নেয়। এই ঘূর্ণনের ফলেই দিন ও রাত হয়। যদি পৃথিবীর সব জায়গায় একই সময় ধরা হতো, তাহলে কোথাও হয়তো দুপুরে সূর্য উঠত, আবার কোথাও গভীর রাতে মানুষ কাজ করত। এই সমস্যা সমাধান...

A person who dies

Image
  A person who dies from a ten-minute chest pain || দশ মিনিটের বুকে ব্যথায় যিনি মারা যাচ্ছেন তা আসলে দশ মিনিটের ব্যথা নয়, দিনের পর দিনের ব্যথা।  অনিশ্চয়তার এ দীর্ঘ ব্যথার চাপ আসলে তিনি আর নিতে পারেননি। একমাত্র আমাদের সম্মিলিত হাত সে বুকে রাখলেই এ ব্যথা কমবে। আসলে, অপ্রত্যাশিত আর্থিক সংকটে পড়েছেন যারা, তাদের আয় কমে গেছে, খরচ কমেনি। তারা এখন দিশেহারা। কেউ কেউ চিন্তা করবে বলে পরিবারকে এ বিপর্যয়ের কথা বলেননা। পুরো চাপ একা নেন। খাবার টেবিলে হেসেছেন, সে হাসির পেছনে যে রক্তবর্ণ বেদনা লুকিয়ে আছে তা কাউকে বুঝতে দেননি। ভেতরে ভেতরে তিনি শেষ হয়ে যান। চাপ সইতে না পেরে হঠাৎ করে কখনও হার্ট অ্যাটাকে মারাও যান।  এ মৃত্যুগুলো যে কী ভয়াবহ কষ্টের তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। এ ব্যাপারে বাদল সৈয়দের কিছু পরামর্শ এখানে দেয়া হলো। কাজে লাগতে পারে Moe related story ১. দয়া করে পরিবারের সাথে সমস্যা শেয়ার করুন। তাঁরা আজ বা কাল ব্যাপারটা জানবেনই। তাই গোপন না করে তাঁদের নিয়েই পরিস্থিতি মোকাবেলা করুন। ২. প্রয়োজনে নাটকীয়ভাবে জীবনযাত্রার খরচ নামিয়ে আনুন। মিডল ক্লাসের প্রচলিত 'ইগো'র কারণে আমরা অযথা অনেক খরচ বাড়...

When will you have children

Image
When will you have children?' In Bengal, the issue of 'marriage' || 'বাচ্চা নেবে কবে?' বঙ্গদেশে 'বিবাহ' বিষয়টা আদপেই অত্যন্ত গুরুত্বহীন বিষয়।  মূল লক্ষ্য বাচ্চা। 'দাম্পত্য' শব্দের মানে জিজ্ঞেস করলে এখানে বেশিরভাগ লোকই যুগলে বৈবাহিক যাপন নয়, 'বাচ্চা নেওয়া' বোঝেন।  যেন বিয়ে করা হয়েছে একসাথে থাকার জন্য নয়, নিজেদের মধ্যেকার সম্পর্ক বোঝাপড়া মজবুত করার জন্য নয়, কেবল বাচ্চা নেবার জন্য। কি এক অদ্ভুত যুক্তিতে লোকে মনে করে বাচ্চা না হওয়া অব্দি মাত্র দুটো মানুষ সম্পূর্ণ হতেই পারেনা, দুটো মানুষের পরিবার? সে তো সোনার পাথরবাটি। অতএব চারিপাশ হতে উপদেশ ভেসে আসে ' You should start a family' । ভেবেছিলাম এ বিষয়ে লিখব না। তবে লিখছি তাতে যদি দুজনের মানসিকতাও বদলায়, তা সমাজের জন্য শুভ হবে। বউভাতের রাত থেকে এই অত্যন্ত ব্যক্তিগত বিষয়ে অযাচিত কুরুচিকর নাক গলানো শুরু হয়। তারপর সামাজিক অনুষ্ঠান থেকে ঘুরতে যাওয়া আড্ডা, ন পিসির ছোট ননদ থেকে পাড়ার পুটু, বিয়েবাড়ি থেকে শ্রাদ্ধবাড়ি কিছু লোকের জীবনে নাওয়া খাওয়া উড়ে যায় শুধু একটাই চিন্তায়- 'বাচ্চা নেবে কবে?' Go...

Fresh and fit man

Image
The heart of a young man with a fresh | তরতাজা সুঠাম দেহের একজন যুবকেরহৃদপিণ্ড টেনে বের করা হয়েছে।  তরতাজা সুঠাম দেহের একজন যুবকেরহৃদপিণ্ড টেনে বের করা হয়েছে। তারপর তা পিরামিডের বেদিতে আছরাতে আছরাতে মন্ত্র পড়ছে পুরোহিত। দেবতা টোনাটিয়ুর উদ্দেশ্যে বলি করা হয়েছে তাকে।  জীবন্ত যুবকটাকে পাথরের বেদিতে শুইয়ে পাথরের বিশেষ পাতলা ছোরা দিয়ে বুকটা ফেরে ফেলা হয়েছে। তারপর টেনে বের করা হয়েছে হৃদপিণ্ড। page প্রচন্ড যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে চিৎকার করছে যুবক। যে একসময় বিরোধী পক্ষের যোদ্ধা ছিল। প্রধান পুরোহিত সহ মোট চারজন পুরোহিত প্রতিদিন এরকম একটি তাজা প্রাণের বলি দিয়ে দিন শুরু করে।  হৃদপিণ্ড আছড়ে দেবতার উদ্দেশ্য পিরামিডের চূড়ায় উৎসর্গ করার পর এবার যুবকের মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা হলো।  মাথাটি বিশেষ স্থানে সংরক্ষিত রাখা হবে। তবে শরীরটা   হবে ভোজের উপকরণ। পিরামিডের বেদি থেকে যুবকের হৃদপিণ্ড ও মাথাকাটা শরীরটা গড়িয়ে ফেলা হলো নিচে। সেখানে অ্যাজটেক সম্প্রদায়ের প্রচুর লোকেরা অপেক্ষায় দাড়িয়ে ছিল, তারা বলি দেয়া যুবকের শরীরটা তুলে নিয়ে হাত পা সহ সকল অঙ্গ প্রত্যঙ্গ আলাদা আলাদা করে...

Evaluation of the gap between

Image
Evaluation of the gap between the present and the past || বর্তমান সময়ে এবং আগের সময়ের ব্যবধানের মূল্যায়ন   বর্তমান সময়ে এবং আগের সময়ের ব্যবধানের মূল্যায়ন   একটি ছোট্ট মেয়ের গল্প   না পড়লেই মিস করবেন এমন সুন্দর ঘটনা  রোজ  রাতেই আমি টের পাই  আমার  মেয়ে রাতে টুনুর টুনুর করে  ফোনে কথা বলে।  আমি ওর রুমে গেলেই  একেবারে চুপ হয়ে ঘুমের ভান ধরে মরা ব্যাঙ্গের মতো পড়ে থাকে।  আমি ওর মা  আমিও এমন করে ওর বাপের সাথে প্রেম করতাম।  তখন ফোন ছিলো না,  রাতে আমরা চিঠি আদান-প্রদান করতাম। আমার আব্বারে দেখলে আমিও মরা ব্যাঙের মতো পড়ে থাকতাম। আমি ভাবলাম  কিছু একটা করতে হবে।  আব্বা  আমার কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলো। তাই আমি পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে ছিলাম  কিন্তু  এই ডিজিটাল বাংলার মা আমি -  আমাকে এসব করা চলবে না টেকনিক করে সমাধান দিতে হবে! যেন লাঠি না ভাংঙ্গে সাপ যেন মরে  হিহিহি  মেয়ে যখন ওয়াশ রুমে গেলো  ওর ফোনটা নিয়ে দেখলাম!  বাহ রিসিভ কল ভর্তি হয়ে আছে  একটি নাম্বার  আ...

Agarwood God's Wood

Image
  Agarwood God's Wood — A Mysterious and Valuable Resource | আগরউড ঈশ্বরের কাঠ — একটি রহস্যময় ও মূল্যবান সম্পদ 🔹 আগরউড কী? আগরউড, যাকে বাংলায় আগর কাঠ বা সংস্কৃত ভাষায় "অগুরু" বলা হয়, একটি সুগন্ধযুক্ত, গা dark এবং রেজিন-সমৃদ্ধ কাঠ। এটি মূলত Aquilaria malaccensis গাছ থেকে উৎপন্ন হয়।  এই গাছটি যখন বিশেষ ধরনের ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে আক্রান্ত হয়, তখন প্রতিক্রিয়াস্বরূপ গাছটি একটি সুগন্ধযুক্ত রেজিন উৎপন্ন করে, যা কাঠের হৃদপিণ্ডে জমা হয়।  এই রেজিন-সমৃদ্ধ কাঠকেই আগরউড বলা হয়।  🔹 আগরউড কোথায় পাওয়া যায়? আগরউড প্রধানত দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া যায়, যেমন:  ভারত (বিশেষ করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলি যেমন অসম, ত্রিপুরা, মেঘালয়) বাংলাদেশ (বিশেষ করে সিলেট অঞ্চল) ভুটান ইন্দোনেশিয়া মালয়েশিয়া থাইল্যান্ড মায়ানমার  ভারতের অসম রাজ্যের হোজাই এবং নাগাঁও অঞ্চল আগরউড উৎপাদনে বিশেষভাবে বিখ্যাত।  🔹 আগরউড গাছের বৈজ্ঞানিক নাম ও প্রজাতি বৈজ্ঞানিক নাম: Aquilaria malaccensis গাছের ধরন: চিরসবুজ বৃক্ষ উচ্চতা: সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ মি...

People can ruin your life

Image
  People can ruin your life. So be careful of them | ”মানুষ আপনার জীবন ধ্বংস করে দিতে পারে। তাই এদের ব্যাপারে সাবধান থাকুনঃ” ”আমরা সবাই চাই জীবনে এগিয়ে যেতে। কিন্তু কিছু মানুষ থাক,. যাদের উপস্থিতিই আমাদের গতি কমিয়ে দেয়, মনোবল ভেঙে দেয়, এমনকি আমাদের স্বপ্ন ও ধ্বংস করে দেয়। তাই চিনে রাখুন এদের, কারণ একবার ভুল মানুষের উপর ভরসা করলে, আপনার পুরো জীবনটাই থমকে যেতে পারে।” 1) ঠেলাগাড়ি মানুষ (Wheelbarrow People): এরা সবসময় চায়, আপনি তাদের ঠেলে নিয়ে যান। নিজের সমস্যা সামলাতে জানে না, সব দায়িত্ব আপনার ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়।” - ”উদাহরণ: প্রতিবার প্রজেক্ট শুরু হলে সেই বন্ধু বলে, “তুই কর, আমি শুধু প্রেজেন্টেশনে দাঁড়াব।” ”শিক্ষা: একতরফা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখলে, আপনি একা ক্লান্ত হয়ে পড়বেন।”- page 2) মশা মানুষ (Mosquito People): তারা শুধু তখনই আসে, যখন তাদের কিছু দরকার। তারা আপনার সফলতা শুষে নেয়, আর পেছনে গুজব ছড়ায়।” - ”উদাহরণঃ এরা চাকরির জন্য আপনার রেফারেন্স চায়, আর কাজ হয়ে গেলে পরে আপনার ফোন পর্যন্ত ধরতে চায় না।” ”শিক্ষাঃ যাদের দরকার শেষ হলেই তারা দুরে সরে যায়, তাদের থেকে আপনারও দুরে ...

How much money bangle ebooks

Image
  How much money do we have left in the bank even after death | মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আমাদের কত টাকা রয়ে যায় ? English convert scroll down 👇 মৃত্যুর পর ব্যাংকে জমে থাকা বিপুল অর্থ আমাদের আর কোনো কাজে লাগে না! অথচ জীবনের চলমান সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে আমরা হিমশিম খাই। সম্প্রতি এক ধনী ব্যক্তি পরলোকগমন করলেন। তার স্ত্রী উত্তরাধিকার সূত্রে ২০০ কোটি টাকার মালিকানা পান এবং অচিরেই স্বামীর প্রাক্তন চালককে বিয়ে করেন। সেই নববিবাহিত ড্রাইভার মনে মনে ভাবল—এতদিন ধরে ভেবেছি আমি তার হয়ে কাজ করেছি, এখন বুঝি, প্রকৃতপক্ষে তিনিই আমার ভবিষ্যতের জন্য কাজ করে গেছেন! আসল সত্যটি হলো—অগাধ সম্পদের চেয়ে স্বাস্থ্যবান শরীর ও দীর্ঘ জীবন অনেক বেশি মূল্যবান। তাই কেবল অর্থ উপার্জনের পেছনে ছুটে না বেড়িয়ে, আমাদের উচিত এমন একটি জীবনযাপন গড়ে তোলা, যা দীর্ঘ ও সুস্থ হয়। জীবনের নানা অভিজ্ঞতা থেকেই এই বাস্তবতাকে গভীরভাবে অনুভব করা যায়। যেমন: দামি, উচ্চ প্রযুক্তির একটি মোবাইল ফোনের ৭০% ফিচারই আমরা কখনো ব্যবহার করি না। * একটি মূল্যবান এবং দ্রুতগতি গাড়ির ৭০% গতির কোনো দরকারই হয় না। অমিতব্যয়ী প্রাসাদের বেশিরভাগ ...

Hard times your great

Image
   Hard times are your greatest opportunity | কঠিন সময়টাই তোমার সবচেয়ে বড় সুযোগ! কঠিন সময়টাই তোমার সবচেয়ে বড় সুযোগ! 💥হ্যাঁ, তুমি এখন ঠিক সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আছো যেখান থেকে ইতিহাস শুরু হয়! যেদিকে তাকালে অনেকে হাল ছেড়ে দেয়, সেখানেই তুমি শুরু করছো তোমার জয়যাত্রা! মনে রেখো, জীবনের সব চেয়ে অন্ধকার সময়েই তারার আলো সবচেয়ে উজ্জ্বল হয়ে জ্বলে ওঠে! 💥যখন সবাই মুখ ফিরিয়ে নেয়, তখনই তোমার মনোবল পরীক্ষা হয়। আর যারা এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়, তারাই হয় নির্মাতা—নিজের ভাগ্যের, সময়ের, ভবিষ্যতের! তুমি হয়তো আজ খালি হাতে, কিন্তু তোমার ভেতরে আছে সাফল্যের তৃষ্ণা। সেই তৃষ্ণা যে কোনো বাধাকে গলিয়ে ফেলতে পারে! ✅তোমাকে যা করতে হবে:-  সাফল্যের ৭টি দুরন্ত কৌশল। 💥১. সুস্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করো: একটা লক্ষ্য ঠিক করো যা তোমার রক্তে আগুন ধরায়! লিখে রাখো, প্রতিদিন চোখে পড়বে এমন জায়গায় রাখো। 💥২. সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার করো: সময় হচ্ছে সোনা নয়, সময় হচ্ছে জীবন। প্রত্যেকটা মিনিট যেন হয় প্রস্তুতির ইট। ফোকাসড থাকো, ডিস্ট্র্যাকশন কাটাও। 💥৩. প্রতিদিন ১% উন্নতি করো (Kaizen টেকনিক): দৈনিক ছোট ছোট উন্নতিই দীর্ঘমেয়...

Famous IT company

Image
  At the head office of a famous IT company | বিখ্যাত একটি আইটি কোম্পানির হেড অফিসে ইন্টারভিউ চলছে। ✅বিখ্যাত একটি আইটি কোম্পানির হেড অফিসে ইন্টারভিউ চলছে। বিশাল কাঁচঘেরা কনফারেন্স রুম। সাদা দেয়াল, দেয়ালে ঝোলানো বিশ্বমানচিত্র, আর সামনে বসা পাঁচজন অভিজ্ঞ বোর্ড মেম্বার। মাঝখানে বসে আছেন চেয়ারম্যান নিজে। প্রার্থীদের একে একে ডাকা হচ্ছে। এখন যে নামটি উচ্চারণ করা হলো— " কেবল কান্ত দাস "। হালকা প্যান্ট-শার্ট পরে, হাতে পুরনো একটা ফাইল নিয়ে ভিতরে ঢুকল ছেলেটা। দেখতে চেহারায় কোন চাকরিপ্রার্থী বলেই মনে হয় না। সাধারণ, কিন্তু চোখদুটো অদ্ভুতভাবে আত্মবিশ্বাসী। চেয়ারম্যান প্রশ্ন করলেন, – “তুমি তো খুব সাধারণ একটা ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসেছো। তোমার এই পদের জন্য যোগ্যতা আছে মনে করো?” ছেলেটা বলল, – “স্যার, আমি প্রতিদিন রাত ২টা পর্যন্ত দোকানে জুতো পালিশ করেছি। সকাল ৬টায় উঠে ক্লাসে গিয়েছি। হোস্টেলে থাকার টাকাও জোগাড় করতাম জুতো পালিশ করেই। কিন্তু আমার চোখে স্বপ্ন ছিল, আর হাতে ছিল কীবোর্ড। আমি জানি, অন্যদের মতো বড় ডিগ্রি নেই আমার, কিন্তু আমি যা শিখেছি, বাস্তব থেকে শিখেছি।” বোর্ড মেম্বারদের একজন কৌতূহল নি...

Those in the current generation

Image
  Those in the current generation যারা বর্তমান জেনারেশন আছেন || অনুরোধ থাকবে ধৈর্য নিয়ে সম্পূর্ণ লেখাটা পড়া শেষ করবেন। আজকাল বেশিরভাগ বর্তমান জেনারেশনের একটা সমস্যা আছে। আর সেটা হলো, এরা সবাই রিলেশনশিপের জন্য পাগল। এরা বলে তাদের নাকি সত্যিকারের প্রেম হয়ে গেছে! তাহলে আমি আপনাকে বলতে চাই, এই পৃথিবীতে প্রেম ভালোবাসা বলে কিছু হয় না। আর যদি সেটা হয়ও, তবে তার সংখ্যাটা খুবই কম। তাই আজকাল যা কিছু হচ্ছে, এটা কেবলমাত্র "এট্রাকশন"। " এট্রাকশন " ন্যাচারাল একটা জিনিস। আপনি ছেলে হলে মেয়ের প্রতি হবে আর মেয়ে হলে ছেলের প্রতি হবে। আর এই এট্রাকশনকে আমরা না বুঝে ভালোবাসা নাম দিয়ে দিই। সত্যি বলতে কি, কেউ যদি আপনাকে বলে সে আপনাকে সত্যিই ভালোবাসে, সে ডাহা মিথ্যা কথা বলে! আমার কথা বিশ্বাস না হলে আপনি নিজেই সেটা পরীক্ষা করে দেখুন। যেমন, আপনি তাকে বলুন আপনার শরীর অসুস্থ এবং আপনি আর বেশি দিন বাঁচবেন না। দেখবেন কিছুদিন পরে সে আপনাকে কোনো না কোনো অজুহাতে ছেড়ে চলে যাবে । কিন্তু একই কথা আপনি আপনার বাবা মাকে বলে দেখুন, যদি প্রয়োজন হয়, তারা আপনার জন্য নিজেদের বিক্রি করে দিবে। আর এটাই হচ্ছে "রি...

Thorium the sustainable fuel

Image
Thorium The sustainable and safe fuel of the future.  থোরিয়াম ভবিষ্যতের টেকসই ও নিরাপদ জ্বালানি।  🔸 ভূমিকা বর্তমান বিশ্বে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, শিল্পায়ন এবং প্রযুক্তির প্রসারের ফলে শক্তির চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এই চাহিদা পূরণের জন্য আমরা এখনো অনেকাংশে নির্ভর করি জীবাশ্ম জ্বালানির উপর, যার ফলে বৈশ্বিক উষ্ণতা, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণের মতো গুরুতর সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, বিজ্ঞানীরা নতুন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই জ্বালানির উৎসের সন্ধানে রয়েছেন। থোরিয়াম একটি এমনই সম্ভাবনাময় পারমাণবিক জ্বালানি, যা ভবিষ্যতে বৈশ্বিক শক্তি সমস্যার কার্যকর সমাধান হতে পারে। 🔸 থোরিয়াম কী? থোরিয়াম একটি প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া রেডিওঅ্যাকটিভ মৌলিক উপাদান যার পারমাণবিক নম্বর ৯০ এবং প্রতীক Th। এটি নরম রুপালী ধাতুর মতো এবং ইউরেনিয়ামের মতোই পারমাণবিক জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের উপযোগী। পৃথিবীর ভূত্বকে থোরিয়াম ইউরেনিয়ামের চেয়ে ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়, বিশেষত ভারতে, অস্ট্রেলিয়ায়, চীনে এবং নরওয়েতে এর প্রচুর মজুত রয়েছে। 🔸 থোরিয়াম বনাম ইউরেনিয়াম পারমাণবিক জ্বালানির ক্...

An old farmer story

Image
  An old farmer lived in a village |  এক গ্রামে এক বৃদ্ধ কৃষক বাস করত English version scroll 👇 এক গ্রামে এক বৃদ্ধ কৃষক বাস করত। তার একটি তেজী ঘোড়া ছিল। কৃষিকাজে, ভারী জিনিস বহনে ও নিত্যদিনের চলাফেরায় সে ঘোড়াটিকে ব্যবহার করত। একদিন হঠাৎ করেই ঘোড়াটি হারিয়ে গেল। অনেক খুঁজেও তাকে আর কোথাও পাওয়া গেল না। কৃষকের স্ত্রীর খুব মন খারাপ। কিন্তু কৃষকের কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই। হারিয়ে যাওয়া ঘোড়ার জন্য তার কোনো আফসোস বা দুঃখবোধও নেই! তাকে দেখে মনে হচ্ছিল যেন কিছুই হয়নি। আশেপাশের প্রতিবেশীরা এসে বলল, তোমার কি দুর্ভাগ্য! একটা মাত্র ঘোড়া তাও হারিয়ে গেল। এ কথা শুনে কৃষক মৃদু হেসে বলল, হতে পারে! তার কিছুদিন পর ঘোড়াটি আবার কৃষকের বাড়ি ফিরে আসলো এবং তার সাথে আরোও তিনটি বন্য ঘোড়া। কৃষকের বাড়িতে সেদিন আনন্দের বান ডেকেছে। শুধু হারানো ঘোড়াটিই ফিরে আসেনি, তার সাথে আরও তিনটি। প্রতিবেশীরা আবার দেখতে আসলো। সবাই বৃদ্ধকে বলতে থাকল, তোমার কি সৌভাগ্য! হারানো ঘোড়া ফিরে পেয়েছ, সেই সাথে আবার তিনটা বাড়তি ঘোড়া! কৃষক আগের মতই হাসিমুখে বলল, হতে পারে! দুই দিন পর কৃষকের একমাত্র ছেলে বন্য ঘোড়াগুলোর এক...

Recognize Failed society

Image
  How to recognize a failed society | ব্যর্থ সমাজ চিনবেন কিভাবে?  English Version scroll down 👇 ১২ টি লক্ষণ আছে যা দেখে আপনি ব্যর্থ সমাজ চিনতে পারবেন: ১. ব্যর্থ সমাজে মানুষ জ্ঞান-বিজ্ঞানে জেগে ওঠে না, জেগে ওঠে হুজুগে। সেখানে বই পড়া, মুক্তচিন্তা, বিজ্ঞানচর্চার অভ্যাস কম থাকে। ২. ব্যর্থ সমাজে মানুষ অর্থহীন সস্তা বিনোদনের পিছনে ছোটে। ফলে সস্তা বিনোদন দিয়েও এক শ্রেণীর মানুষ রাতারাতি প্রচুর জনপ্রিয়তা পায়। ৩. ব্যর্থ সমাজে দুর্নীতিবাজদের সবচেয়ে সফল মানুষ হিসেবে গণ্য করা হয়। লোকের চোখে তারাই রোল মডেল। ৪. ব্যর্থ সমাজে অশিক্ষিতরা আপনার ভাগ্য নির্ধারণ করার দায়িত্ব নেয়। মানুষ শিক্ষাকে কম, টাকা আর ক্ষমতাকে বেশি মূল্যায়ন করে।   ৫. ব্যর্থ সমাজে প্রতিটি চিন্তাশীল মানুষের বিপরীতে হাজার হাজার বোকার হদ্দ থাকে এবং প্রতিটি সচেতন শব্দের বিপরীতে থাকে শত শত পচনশীল শব্দ। ৬. ব্যর্থ সমাজে উদ্যোক্তার চেয়ে চাকরিজীবীর দাম বেশি হয়। সেখানে উদ্যোক্তাদের কেউ সম্মান করে না। ৭. ব্যর্থ সমাজে চিন্তাশীল ব্যক্তির মূল্য বা ওজন কেউ বোঝে না। যে কঠিন সত্য বলে বাস্তবতাকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করে তাকে কেউ ...

Experience is worth 9999

Image
Experience is worth 9999 ||  লাল বৃত্তের মধ্যে থাকা ব্যক্তিটির গল্প   ছবিটিতে লাল বৃত্তের মধ্যে থাকা ব্যক্তিটির গল্প আমরা অনেকেই জানি কিন্তু তাকে খুব কম মানুষই চিনি। ইনি ছিলেন তার সময়ের সেরা একজন ইঞ্জিনিয়ার, তার জনপ্রিয়তা ছবিটির দিকে তাকালেই হয়ত বুঝে যাবেন। English convert scroll 👇   তার একটি সত্য গল্প খুব প্রচলিত ছিল,  যিনি একটি স্ক্রু ঘোরানোর জন্য ১ $ ডলার আর কোন স্ক্রু ঘোরাতে হবে সেটা জানার জন্য ৯,৯৯৯  $ ডলার দাবি করেছিলেন।  হ্যাঁ, এই প্রকৌশলী আসলেই ছিলেন। তার নাম ছিল চার্লস প্রোটিয়াস স্টেইনমেটজ (১৮৬৫–১৯২৩)। একবার তার সঙ্গে পরিচিত হন খ্যাতিমান উদ্যোক্তা হেনরি ফোর্ড। যাকে বিখ্যাত ফোর্ড গাড়ির নির্মাতা হিসেবে জানি।  তো ফোর্ডের রিভার রুজ প্ল্যান্টে একটি বিশাল জেনারেটরে জটিল এক প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়। সেখানে কর্মরত প্রকৌশলীরা কোনোভাবেই সমস্যার উৎস খুঁজে পাচ্ছিলেন না। শেষমেশ হেনরি ফোর্ড নিজেই স্টেইনমেটজকে ডাকেন। যথারীতি স্টেইনমেটজ কারখানায় এসে কারো সাহায্য না নিয়ে শুধু একটি খাতা, কলম আর একটি খাট চাইলেন।  মনে হতে পারে না, এত কিছু থাকতে খাট কেন...