Posts

Happy new year 2026 countdown Why New Years don't start at the same time

Image
পৃথিবীতে নববর্ষ কেন একসঙ্গে শুরু হয় না সময় অঞ্চল ও আন্তর্জাতিক তারিখরেখার গল্প Happy new year 2026 countdown   Why New Years don't start at the same time around the world The story of time zones and the International Date Line Happy new year image নববর্ষ মানেই নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন আর পুরোনো হিসাব–নিকাশ ঝেড়ে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার এক প্রতীকী মুহূর্ত। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে পৃথিবীর সব মানুষ একসঙ্গে নববর্ষ উদযাপন করে না। একই দিনে হলেও বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন অঞ্চলে নববর্ষ শুরু হয় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে। এর মূল কারণ পৃথিবীর সময় অঞ্চল ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক তারিখরেখা (International Date Line)। এই প্রবন্ধে আমরা সহজ ভাষায় বুঝে নেব, কেন পৃথিবীতে নববর্ষ ধাপে ধাপে শুরু হয়, কোথায় প্রথম নববর্ষ আসে, আর কোথায় সর্বশেষ নববর্ষ উদযাপিত হয়। পৃথিবীর সময় অঞ্চল কীভাবে তৈরি হয়েছে পৃথিবী নিজের অক্ষে ঘুরতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা সময় নেয়। এই ঘূর্ণনের ফলেই দিন ও রাত হয়। যদি পৃথিবীর সব জায়গায় একই সময় ধরা হতো, তাহলে কোথাও হয়তো দুপুরে সূর্য উঠত, আবার কোথাও গভীর রাতে মানুষ কাজ করত। এই সমস্যা সমাধান...

What is a successful life Philosophy of life in the story of the kite

Image
  সফল জীবন কাকে বলে ঘুড়ির গল্পে জীবনদর্শন |  What is a successful life Philosophy of life in the story of the kite বন্ধনই সফলতার ভিত্তি গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর ছেলেরা সাধারণত ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা স্বপ্ন আঁকে। বড় চাকরি, নিজস্ব গাড়ি, স্বাধীন জীবন কিংবা নিজের মতো করে বাঁচার জেদ—এসবই তাদের মনে দোলা দেয়। জীবনের এই সন্ধিক্ষণে তারা জানতে চায়, সফলতা আসলে কাকে বলে। ঠিক তেমনই একদিন কলেজ শেষ করে এক তরুণ তার বাবাকে প্রশ্ন করল, সফল জীবন কাকে বলে। প্রথমে বাবা হাসলেন। তারপর এমন একটি উদাহরণ দিলেন, যা তার ছেলের জীবনের জন্য হয়ে উঠল পথপ্রদর্শক। সেই দুপুরে বাবা ছেলে দুজন মাঠে গেলেন। সেখানে কিছু শিশুরা ঘুড়ি ওড়াচ্ছিল। বাবা এক শিশুর কাছ থেকে একটি ঘুড়ি চাইলেন। ছেলে ভাবল, বাবা নিশ্চয়ই তাকে আনন্দ দেওয়ার জন্য এমন করছেন। কিন্তু বাবা জানতেন, এই ঘুড়ির মাঝেই আছে তার ছেলের প্রশ্নের উত্তর। ঘুড়িটি আকাশে উঠে গেল। বাতাসের টানে আরও আরও ওপরে উঠতে লাগল। ছেলে উৎসুক হয়ে দেখছিল। কিছুক্ষণ পর বাবা বললেন, দেখো তো, ঘুড়িটা এত উঁচুতে ভেসে আছে। তোমার কি মনে হয় না, এই সুতার কারণেই ঘুড়ি আরও উপরে যেতে পারছে না? ছ...

The Alexandria Feeding Bottle is a death trap of a mistaken discovery

Image
‘ আলেকজান্দ্রিয়া ফিডিং বোতল’ এক ভুল আবিষ্কারের মরণফাঁদ  |  The Alexandria Feeding Bottle is a death trap of a mistaken discovery শিশুর জন্য মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ। সেই ভালোবাসাকেই সহজ করার নামে ইতিহাসে অনেক সময় কিছু আবিষ্কার এসেছে, যেগুলোর শেষ পরিণতি দাঁড়িয়েছে ভয়ংকর বিপদের নামান্তর হয়ে। এমনই এক উদাহরণ হলো ফিডিং বোতল, বিশেষ করে উনবিংশ শতকের ইংল্যান্ডে ব্যবহৃত তথাকথিত “আলেকজান্দ্রিয়া ফিডিং বোতল”, যাকে আরেক নামে ডাকা হতো “খুনি বোতল” বলে। কেন এমন নাম? সেই গল্প বুঝতে গেলে যেতে হবে রানী ভিক্টোরিয়ার শাসনামলের ইংল্যান্ডে। সে সময় সমাজে দ্রুত পরিবর্তন আসছিল। শিল্পবিপ্লবের পর হাজার হাজার নারী কারখানায় কর্মরত ছিলেন। মাতৃত্বের পাশাপাশি গৃহকর্ম বা পেশাগত দায়িত্ব সামলানো ছিল অত্যন্ত কঠিন। তাই প্রয়োজন ছিল এমন কোনো উপায়ের, যাতে শিশু নিজেরাই দুধ পান করতে পারে এবং মা কিছুটা সময় নিজের কাজে ব্যয় করতে পারেন। এই চাহিদাকে কেন্দ্র করে তৈরি হলো নানা রকম ফিডিং বোতল, যার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে বোতলগুলোকে বলা হতো “বাঞ্জো বোতল”। অদ্ভুত বঙ্কিম আকৃতির কারণে এই নাম। বোতলের একপাশ ফুলানো,...

The worlds largest overhead reservoir is the Tala Tank in Kolkata

Image
  পৃথিবীর বৃহত্তম ওভারহেড রিজার্ভার হলো কলকাতার ‘টালা ট্যাঙ্ক’। The world's largest overhead reservoir is the 'Tala Tank' in Kolkata. Taka Tank বিস্ময়কর টালা ট্যাঙ্ক শহরের প্রাণের আধার কলকাতা শুধু সংস্কৃতি-সাহিত্য বা রাজনৈতিক ইতিহাসে সমৃদ্ধ নয়—এ শহরের বুকে লুকিয়ে আছে অসংখ্য প্রকৌশল-কীর্তি। তারই এক অমলিন দৃষ্টান্ত ‘টালা ট্যাঙ্ক’ —যা শুধু ভারতেই নয়, সমগ্র পৃথিবীর বৃহত্তম ওভারহেড ওয়াটার রিজার্ভার হিসেবে স্বীকৃত। বিস্ময়কর নির্মাণশৈলী, প্রায় শতাধিক বছরের ইতিহাস, আর লাখ লাখ মানুষের তৃষ্ণা মেটানোর নিরলস দায়িত্ব—সব মিলিয়ে টালা ট্যাঙ্ক কলকাতার গর্ব, বাঙালির অহংকার। কলকাতার জল সমস্যার শুরু ১৭১৭ সালে মোঘল সম্রাট ফারুকশিয়ারের কাছ থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যখন ৩৮টি গ্রাম অধিগ্রহণ করল, তার মধ্যেই জন্ম নিল কলকাতার ভবিষ্যৎ। কিন্তু ধীরে ধীরে শহর বিস্তার লাভের সাথে সাথে সবচেয়ে বড় সঙ্কট দেখা দিল – বিশুদ্ধ পানীয় জল । তখন পরিষ্কার জল পাওয়ার উৎস বলতে ছিল কেবল পুকুর। হেদুয়া, ভবানীপুর ও ওয়েলিংটনের বড় বড় পুকুর থেকে জল তুলে নাগরিকদের সরবরাহ করা হতো। কিন্তু জনসংখ্যা যত বাড়ল, প্রয়োজনীয় জলের পর...

Stan Larkins incredible life of days without a human heart

Image
  স্ট্যান লারকিন মানব হৃদপিণ্ড ছাড়াই ৫৫৫ দিনের অবিশ্বাস্য জীবন |  Stan Larkin's incredible life of 555 days without a human heart মানবদেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কোনটি—এ প্রশ্ন করলে নিশ্চয়ই সবার প্রথমেই মনে আসে হৃদপিণ্ডের কথা। কারণ হৃদপিণ্ডই আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে দেয়। একটি সেকেন্ডও এটি থেমে গেলে আমরা বেঁচে থাকতে পারি না। কিন্তু পৃথিবীতে এমন একজন মানুষ আছেন, যিনি দীর্ঘ ৫৫৫ দিন নিজের শরীরে এক ফোঁটা মানব হৃদপিণ্ড ছাড়াই বেঁচে ছিলেন! শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটি সত্য। সেই মানুষটির নাম স্ট্যান লারকিন , যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান রাজ্যের বাসিন্দা। স্ট্যান লারকিনের গল্প চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি অনন্য কীর্তি, আবার মানব ইচ্ছাশক্তির সবচেয়ে বড় উদাহরণ। তার জীবনের প্রতিটি দিন ছিল সংগ্রামে ভরা। কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি। বাঁচার তীব্র আকাঙক্ষা এবং আধুনিক চিকিৎসার অসামান্য অগ্রগতির সমন্বয়েই সম্ভব হয়েছে এই বিস্ময়কর ঘটনা। মারণ হৃদরোগ: ফ্যামিলিয়াল কার্ডিওমায়োপ্যাথি স্ট্যান লারকিন ছোটবেলায় থেকেই খেলাধুলা করতে ভালোবাসতেন। বিশেষ করে বাস্কেটবল ছিল তার সবচেয়ে...

Hemendra Mohan Bose is a forgotten hero of the Renaissance

Image
হেমেন্দ্র মোহন বসু এক বিস্মৃত নবজাগরণের নায়ক |  Hemendra Mohan Bose is a forgotten hero of the Renaissance Hemendra mohan বাংলার ঘরে ঘরে কলের গান, প্রথম রেকর্ড, প্রথম রঙিন ছবি—যার হাত ধরে নবজাগরণের নতুন অধ্যায় বাংলার নবজাগরণ মানেই আমরা সাধারণত বাংলা সাহিত্য, শিল্প, বিজ্ঞান ও স্বাধীনতা চেতনার উত্থানকে বুঝি। বঙ্কিমচন্দ্র, বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ, জগদীশচন্দ্র, রমণী চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ অগ্রজেরা এই নবজাগরণে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছেন। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু নায়ক আছেন, যাদের অবদানের আলোর ছটা আজও মানুষের অজানা। তাদের স্মৃতি হয়তো ঘোলাটে হয়ে যায় সময়ের ধুলোর আড়ালে। তেমনি এক বিস্মৃত নায়কের নাম— হেমেন্দ্র মোহন বসু বা এইচ বোস । ডাক্তারি পড়তে গিয়েও তিনি যে শিল্পবিপ্লবের অগ্রযোদ্ধা হয়ে উঠবেন—কেউ ভাবেনি। তাঁর সৃজনশীলতা, উদ্যোগী মন এবং নতুন প্রযুক্তির প্রতি সীমাহীন আগ্রহ তাঁকে ইতিহাসের এক অনন্য উচ্চতায় বসিয়েছে। বাংলার প্রথম রেকর্ড কোম্পানি প্রতিষ্ঠা, প্রথম রঙিন আলোকচিত্র নির্মাণ, বিজ্ঞাপনী বিপ্লব, সাহিত্য ক্ষেত্রে পুরস্কার প্রবর্তন—সবখানে তাঁর উজ্জ্বল পদচিহ্ন। রেকর্ড ব্যবসায় বাংলার প্র...

Even after being martyred baba Harbhajan Singh still serves on duty at the Indian border

Image
  শহীদ হওয়ার পরও বাবা হরভজন সিং এখনো ভারতের সীমান্তে ডিউটি দেন ||  Even after being martyred, father Harbhajan Singh still serves on duty at the Indian border Harbhajan Singh ভারতের সীমান্ত রক্ষাকারী সৈনিকদের মধ্যে একজনের নাম আজও কিংবদন্তির মতো উচ্চারিত হয়— বাবা হরভজন সিং । তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন সাহসী জওয়ান, যিনি মৃত্যুর পরও তাঁর কর্তব্য থেকে বিচ্যুত হননি। ভারতের সিকিম সীমান্তে আজও বিশ্বাস করা হয়, তিনি এখনো প্রহরারত আছেন। এই গল্প শুধু এক সৈনিকের নয়, এটি এক অনন্য আধ্যাত্মিক ও দেশপ্রেমের প্রতীক, যা কোটি ভারতীয়ের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। জন্ম ও প্রাথমিক জীবন বাবা হরভজন সিং-এর জন্ম ৩০ আগস্ট ১৯৪৬ সালে পাঞ্জাবের কাপুরথালা জেলার একটি ছোট গ্রামে। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন পরিশ্রমী, সৎ এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ। ভারতের স্বাধীনতার পরবর্তী সময়টায় সীমান্তে নানা সংঘাত চলছিল, আর সেই সময় দেশের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার প্রবল ইচ্ছা থেকেই তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৬৬ সালে তিনি পাঞ্জাব রেজিমেন্ট -এর সঙ্গে যুক্ত হন এবং পরে ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্তে কর্মরত হন। কঠোর শৃঙ্খলা, দায়িত্ববো...

The giant scar on Mars Valles Marineris

Image
মঙ্গল গ্রহের বিশাল ক্ষতচিহ্ন — ভ্যালেস মেরিনারিস ||  The giant scar on Mars — Valles Marineris মহাবিশ্বের এক অনন্য বিস্ময় হলো মঙ্গল গ্রহ। এই লালচে গ্রহটির বুক জুড়ে আছে এমন অনেক রহস্য, যা আজও বিজ্ঞানীদের কৌতূহলের কেন্দ্রে। কিন্তু মঙ্গলের পৃষ্ঠে যে জিনিসটি সবচেয়ে বেশি দৃষ্টি আকর্ষণ করে, সেটি হলো এক বিশালাকার গিরিখাত — ভ্যালেস মেরিনারিস (Valles Marineris) । এটি শুধু মঙ্গলেরই নয়, পুরো সৌরজগতের সবচেয়ে বড় ক্যানিয়ন ব্যবস্থা। যেন এক দৈত্যাকার ক্ষতচিহ্ন, যা মঙ্গলের গায়ে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে কোটি কোটি বছর ধরে। কতটা বিশাল এই ভ্যালেস মেরিনারিস? ভ্যালেস মেরিনারিসের দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,৫০০ কিলোমিটার , যা পৃথিবীর গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের তুলনায় প্রায় দশগুণ বড়। এর প্রস্থ প্রায় ৬০০ কিলোমিটার , আর গভীরতা গড়ে ৭ থেকে ১১ কিলোমিটার পর্যন্ত! যদি এটি পৃথিবীতে থাকত, তবে এটি নিউ ইয়র্ক থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস পর্যন্ত বিস্তৃত হতো। এই পরিসংখ্যান শুনলেই বোঝা যায়, এটি কেবল একটি গিরিখাত নয় — বরং এক মহাজাগতিক বিস্ময়। কীভাবে তৈরি হলো এই বিশাল গিরিখাত? বিজ্ঞানীদের মতে, ভ্যালেস মেরিনারিসের উৎপত্তি ঘটেছে ...